সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ ৩ দাবি ঘোষণায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা
শিক্ষামন্ত্রীকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে পদত্যাগ করতে এবং তার ‘অসংগতিপূর্ণ’ বক্তব্যের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে আল্টিমেটাম দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আজ মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ ঘোষণা দেন সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মো. মিরাজ হোসেন।
তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অসংগতিপূর্ণ কথাবার্তার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। গতকাল (১৩ জুলাই) অস্বস্তিকর পরিবেশে যারা পরীক্ষা দিয়েছে এবং যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদের কথা বিবেচনা করে ওই পরীক্ষাটি পুনরায় নিতে হবে। একই সঙ্গে আগামীকালের পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করতে হবে। প্রশ্নপত্রের মানদণ্ডও অবশ্যই শিক্ষার্থীবান্ধব হতে হবে।
এর আগে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব এলাকায় অবস্থান নিলে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, সকাল থেকে টানা আন্দোলন চালিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ তাদের সঙ্গে আলোচনায় আসেননি।
শিক্ষার্থীরা পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল এবং অতিরিক্ত কঠিন প্রশ্ন করার অভিযোগও তোলেন। তাদের দাবি, অভিন্ন প্রশ্নপত্র আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হয়েছে।
বিকেল চারটার কিছু আগে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন। এর আগে বেলা পৌনে তিনটার দিকে তারা ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেন।
তারও আগে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে তারা পলাশীর মোড় হয়ে শিক্ষা বোর্ডের সামনে যান। সকালে সায়েন্স ল্যাব মোড়েও তারা এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেন।
রাজধানীর বাইরে উত্তরায় বিএনএস সেন্টারের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। বরিশালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এবং ময়মনসিংহে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও অবরোধ করা হয়। কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহেও বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবরোধ করেন। পরে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে গেলে ভিসি চত্বরের সামনে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এরপর তারা নীলক্ষেত হয়ে টিএসসিগামী সড়কে অবস্থান নেন।
উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও সকাল থেকে অবরোধ চলে। উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, অবরোধের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
রাজধানীতে সায়েন্স ল্যাবের অবরোধে ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা আইডিয়াল কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, লালমাটিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিএফ শাহীন কলেজসহ ১২ থেকে ১৫টি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রব্বানী হোসেন সকালে বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ মঙ্গলবার বিকেল পৌনে ৫টার দিকে রাজধানীর সায়েন্সল্যাবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ ঘোষণা দেন সিটি কলেজের পরীক্ষার্থী মো. মিরাজ হোসেন।
তিনি বলেন, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে এবং তার অসংগতিপূর্ণ কথাবার্তার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। গতকাল (১৩ জুলাই) অস্বস্তিকর পরিবেশে যারা পরীক্ষা দিয়েছে এবং যারা পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদের কথা বিবেচনা করে ওই পরীক্ষাটি পুনরায় নিতে হবে। একই সঙ্গে আগামীকালের পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করতে হবে। প্রশ্নপত্রের মানদণ্ডও অবশ্যই শিক্ষার্থীবান্ধব হতে হবে।
এর আগে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব এলাকায় অবস্থান নিলে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। তাদের অভিযোগ, সকাল থেকে টানা আন্দোলন চালিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কেউ তাদের সঙ্গে আলোচনায় আসেননি।
শিক্ষার্থীরা পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্রে ভুল এবং অতিরিক্ত কঠিন প্রশ্ন করার অভিযোগও তোলেন। তাদের দাবি, অভিন্ন প্রশ্নপত্র আগের বছরের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হয়েছে।
বিকেল চারটার কিছু আগে শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করেন। এর আগে বেলা পৌনে তিনটার দিকে তারা ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ‘ভুয়া, ভুয়া’ স্লোগান দেন।
তারও আগে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। পরে তারা পলাশীর মোড় হয়ে শিক্ষা বোর্ডের সামনে যান। সকালে সায়েন্স ল্যাব মোড়েও তারা এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেন।
রাজধানীর বাইরে উত্তরায় বিএনএস সেন্টারের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। বরিশালে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক এবং ময়মনসিংহে ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কেও অবরোধ করা হয়। কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহেও বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবরোধ করেন। পরে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে গেলে ভিসি চত্বরের সামনে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এরপর তারা নীলক্ষেত হয়ে টিএসসিগামী সড়কে অবস্থান নেন।
উত্তরার বিএনএস সেন্টারের সামনে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কেও সকাল থেকে অবরোধ চলে। উত্তরা ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, অবরোধের কারণে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল।
রাজধানীতে সায়েন্স ল্যাবের অবরোধে ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা আইডিয়াল কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজ, লালমাটিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বিএফ শাহীন কলেজসহ ১২ থেকে ১৫টি কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
রমনা বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার রব্বানী হোসেন সকালে বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
