দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৯৯০ শিশু হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬৭১ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ফলে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬৬ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২২ শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৮৬৮ শিশু। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৩১ শিশু, আর চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯০০ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারাদেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ১৩ হাজার ৭৩৫ জন। এ সময় মোট ৯৬ হাজার ২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ৯২ হাজার ৩৮৩ জন বাড়ি ফিরেছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬৭১ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ফলে এ সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৬৬ জনে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২২ শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে আরও ৮৬৮ শিশু। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৩১ শিশু, আর চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯০০ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারাদেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১৩ হাজার ২৪৪। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী ১৩ হাজার ৭৩৫ জন। এ সময় মোট ৯৬ হাজার ২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ৯২ হাজার ৩৮৩ জন বাড়ি ফিরেছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
