বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জমজমাট লড়াই: ফ্রান্স-স্পেনের পর আর্জেন্টিনার সামনে ইংল্যান্ড
সম্প্রসারিত ৪৮ দলের বিশ্বকাপ শুরুর এক মাস পর টুর্নামেন্ট এখন পৌঁছে গেছে সেমিফাইনাল পর্বে। মঙ্গলবার প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন। আর বুধবার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা লড়বে তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।
শেষ চার নিশ্চিত করা সর্বশেষ দল ছিল দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দলটি শনিবার রাতে কানসাস সিটিতে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়।
আর্জেন্টিনার লক্ষ্য টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়া। ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর আর কোনো দল পরপর দুটি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এবার সেমিফাইনালে আটলান্টায় জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেনের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা।
অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালের পর প্রথম বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড। শনিবার মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে হারানোর ম্যাচে দলের নায়ক ছিলেন জুড বেলিংহাম। ইংলিশ মিডফিল্ডার দুটি গোলই করে দলকে সেমিফাইনালে তোলেন।
এটি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের চতুর্থ সেমিফাইনাল (১৯৬৬, ১৯৯০, ২০১৮ ও ২০২৬)। তবে আগের দুই সেমিফাইনালেই হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের। বিপরীতে, বিশ্বকাপে নিজেদের আগের ছয়টি সেমিফাইনালেই জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
বুধবারের এই লড়াইটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে আরও একটি কারণে। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক কোয়ার্টার ফাইনালের ঠিক ৪০ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। সেবার আজতেকা স্টেডিয়ামে দিয়েগো ম্যারাডোনার জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
ম্যারাডোনার উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত লিওনেল মেসির এটি হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের হয়ে ২০৬তম ম্যাচ। তবে অবাক করার মতো বিষয়, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটিই হবে তাঁর প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম এমনভাবে ড্র করা হয়েছিল, যাতে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালের আগে একে অপরের মুখোমুখি না হয়।
স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড—এই চার দলকে ভিন্ন পথে রাখা হয়েছিল। তবে সে সুযোগ কাজে লাগাতে প্রতিটি দলকেই নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করতে হয়েছে, যা তারা সফলভাবেই করেছে।
ফলে মঙ্গলবার ডালাসের উপকণ্ঠ আর্লিংটনে অনুষ্ঠিত হবে ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি। সেই ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন।
ইউরো ২০২৪-এর ওই সেমিফাইনালে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল স্পেন এবং পরে শিরোপাও জিতেছিল তারা। ম্যাচটিতে ১৭তম জন্মদিনের কয়েক দিন আগে দুর্দান্ত একটি গোল করে আলোচনায় আসেন স্প্যানিশ তরুণ লামিন ইয়ামাল।
এবারও সেমিফাইনালে স্পেনের বড় ভরসা সেই ইয়ামাল।
অন্যদিকে, ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় শক্তি কিলিয়ান এমবাপ্পে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালসহ চলতি বিশ্বকাপে তিনি ইতোমধ্যে আটটি গোল করেছেন।
গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এমবাপ্পে রয়েছেন দারুণ অবস্থানে। বর্তমানে তিনি মেসির সমান গোল করেছেন এবং বিশ্বকাপে মেসির সর্বকালের ২১ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করতে প্রয়োজন আর মাত্র একটি গোল।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শেষ চার নিশ্চিত করা সর্বশেষ দল ছিল দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দলটি শনিবার রাতে কানসাস সিটিতে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের সুইজারল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়।
আর্জেন্টিনার লক্ষ্য টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়া। ১৯৬২ সালে ব্রাজিলের পর আর কোনো দল পরপর দুটি বিশ্বকাপ জিততে পারেনি। এবার সেমিফাইনালে আটলান্টায় জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেনের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা।
অন্যদিকে, ১৯৬৬ সালের পর প্রথম বড় কোনো আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড। শনিবার মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে অতিরিক্ত সময়ে ২-১ গোলে হারানোর ম্যাচে দলের নায়ক ছিলেন জুড বেলিংহাম। ইংলিশ মিডফিল্ডার দুটি গোলই করে দলকে সেমিফাইনালে তোলেন।
এটি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের চতুর্থ সেমিফাইনাল (১৯৬৬, ১৯৯০, ২০১৮ ও ২০২৬)। তবে আগের দুই সেমিফাইনালেই হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের। বিপরীতে, বিশ্বকাপে নিজেদের আগের ছয়টি সেমিফাইনালেই জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা।
বুধবারের এই লড়াইটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে আরও একটি কারণে। ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক কোয়ার্টার ফাইনালের ঠিক ৪০ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। সেবার আজতেকা স্টেডিয়ামে দিয়েগো ম্যারাডোনার জোড়া গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা।
ম্যারাডোনার উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচিত লিওনেল মেসির এটি হতে যাচ্ছে জাতীয় দলের হয়ে ২০৬তম ম্যাচ। তবে অবাক করার মতো বিষয়, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এটিই হবে তাঁর প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম এমনভাবে ড্র করা হয়েছিল, যাতে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার দল সেমিফাইনালের আগে একে অপরের মুখোমুখি না হয়।
স্পেন, আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড—এই চার দলকে ভিন্ন পথে রাখা হয়েছিল। তবে সে সুযোগ কাজে লাগাতে প্রতিটি দলকেই নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন করতে হয়েছে, যা তারা সফলভাবেই করেছে।
ফলে মঙ্গলবার ডালাসের উপকণ্ঠ আর্লিংটনে অনুষ্ঠিত হবে ইউরো ২০২৪-এর সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি। সেই ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও স্পেন।
ইউরো ২০২৪-এর ওই সেমিফাইনালে ২-১ ব্যবধানে জয় পেয়েছিল স্পেন এবং পরে শিরোপাও জিতেছিল তারা। ম্যাচটিতে ১৭তম জন্মদিনের কয়েক দিন আগে দুর্দান্ত একটি গোল করে আলোচনায় আসেন স্প্যানিশ তরুণ লামিন ইয়ামাল।
এবারও সেমিফাইনালে স্পেনের বড় ভরসা সেই ইয়ামাল।
অন্যদিকে, ফ্রান্সের সবচেয়ে বড় শক্তি কিলিয়ান এমবাপ্পে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন। মরক্কোর বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালসহ চলতি বিশ্বকাপে তিনি ইতোমধ্যে আটটি গোল করেছেন।
গোল্ডেন বুটের দৌড়েও এমবাপ্পে রয়েছেন দারুণ অবস্থানে। বর্তমানে তিনি মেসির সমান গোল করেছেন এবং বিশ্বকাপে মেসির সর্বকালের ২১ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করতে প্রয়োজন আর মাত্র একটি গোল।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
