দেশ ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ মিলে যুদ্ধ করে আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। মাত্র কয়েকদিন আগেই আমরা স্বৈরাচারকে এ দেশ থেকে বিদায় করেছি। সব শ্রেণি-পেশার, ধর্ম-বর্ণের মানুষ রাজপথে নেমে এসে স্বৈরাচারকে দেশ থেকে হটিয়েছে। এভাবে সবাই যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশের জন্য, মানুষের জন্য ভালো কাজ করি, তাহলে সবাই উপকৃত হবো।
তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, এই বৃক্ষরোপণ দিবসে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই, যে যার অবস্থান থেকে পরিবেশকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সোয়া ২টায় বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন সাগরদী খালের দুই পাশে একযোগে ৩৫০টি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পরিবেশ নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে। নিজেদের ঘর যদি নিজেরা গুছিয়ে না রাখি, তাহলে ঘর যেমন অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায়, ঠিক তেমনি আমরা যদি আমাদের এলাকা, পাড়া ও দেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখি এবং পরিবেশের দিকে খেয়াল না রাখি, তাহলে এর ভুক্তভোগী হবো আমরাই। অন্য দেশের সুন্দর পরিবেশ দেখে আফসোস করব, অথচ নিজেদের দেশকে নষ্ট করে ফেলব—এটা হতে পারে না।
তিনি বলেন, গাছের চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যারা চারা রোপণ করেছেন, তারা সবাই মিলে গাছগুলোর যত্ন নেবেন। গাছগুলো বড় হলে শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নয়, এখানে আগত সবাই উপকৃত হবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক হয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভূরঘাটা এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বরিশাল সফর। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।
গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে বরিশাল নগরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ২টায় বরিশাল শহরের বান্দরোডে পৌঁছায় গাড়িবহর।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
তিনি সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, এই বৃক্ষরোপণ দিবসে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হই, যে যার অবস্থান থেকে পরিবেশকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর সোয়া ২টায় বরিশাল নগরীর ত্রিশ গোডাউন সংলগ্ন সাগরদী খালের দুই পাশে একযোগে ৩৫০টি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির শুরুতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিজেদের পরিবেশ নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে। নিজেদের ঘর যদি নিজেরা গুছিয়ে না রাখি, তাহলে ঘর যেমন অপরিচ্ছন্ন হয়ে যায়, ঠিক তেমনি আমরা যদি আমাদের এলাকা, পাড়া ও দেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না রাখি এবং পরিবেশের দিকে খেয়াল না রাখি, তাহলে এর ভুক্তভোগী হবো আমরাই। অন্য দেশের সুন্দর পরিবেশ দেখে আফসোস করব, অথচ নিজেদের দেশকে নষ্ট করে ফেলব—এটা হতে পারে না।
তিনি বলেন, গাছের চারা রোপণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। যারা চারা রোপণ করেছেন, তারা সবাই মিলে গাছগুলোর যত্ন নেবেন। গাছগুলো বড় হলে শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নয়, এখানে আগত সবাই উপকৃত হবেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন, বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়ক হয়ে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ভূরঘাটা এলাকায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকার গঠনের পর এটিই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার প্রথম বরিশাল সফর। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।
গৌরনদীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ শেষে বরিশাল নগরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ২টায় বরিশাল শহরের বান্দরোডে পৌঁছায় গাড়িবহর।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
