হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১০০৯
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯টি শিশু।
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, রবিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৫৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৯৬। এই সময়ে ৮৫৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১২ হাজার ৩৭৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৬১৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৫ হাজার ১৯৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৯১ হাজার ৪৮৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (১৩ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, রবিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৬৫টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৪টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৫৯টি শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১১৩টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৮৯৬। এই সময়ে ৮৫৬টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৭৮টি শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১২ হাজার ৩৭৬, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ৬১৩। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৯৫ হাজার ১৯৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৯১ হাজার ৪৮৩ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
