জোড়া গোলে ইংল্যান্ডকে সেমিফাইনালে তুলে পেলে-ম্যারাডোনার পাশে বেলিংহাম
জুড বেলিংহামের জোড়া গোলে নরওয়েকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে দুটি গোল করে দলকে জয় এনে দেওয়ার পাশাপাশি রেকর্ড বইয়েও জায়গা করে নিয়েছেন এই ইংলিশ মিডফিল্ডার। কীর্তিতে তিনি এখন পেলে ও দিয়েগো ম্যারাডোনার কাতারে।
শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর কোয়ার্টার ফাইনালেও নরওয়ের বিপক্ষে দুইবার জালের দেখা পান বেলিংহাম। ফলে এক বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচে একাধিক গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে নজির গড়েন তিনি।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে একাধিক গোল করা খেলোয়াড়রা:
১৯৫৪: শান্দোর কোচিচ (হাঙ্গেরি) — কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৫৮: পেলে (ব্রাজিল) — সেমিফাইনাল ও ফাইনাল
১৯৬২: গারিঞ্চা (ব্রাজিল) — কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৮৬: দিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা) — কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
২০২৬: জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড) — শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনাল
২৩ বছর ১২ দিন বয়সে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে দুই বা তার বেশি গোল করা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারও বেলিংহাম। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন পেলে, যিনি ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে এই কীর্তি গড়েছিলেন।
চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচেই পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড। এর আগে বিশ্বকাপ ইতিহাসে (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদে) মাত্র দুইবার এমন সাফল্য পেয়েছিল ইংলিশরা—১৯৯০ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে এবং ১৯৬৬ সালের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে।
এছাড়া বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো নিজেদের শেষ তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি ইংল্যান্ডের চতুর্থ সেমিফাইনাল। ২০১৮ সালের পর আবারও শেষ চারে জায়গা করে নিল তারা। ওই আসরে সেমিফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল ইংলিশরা।
চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সমান ৬টি করে গোল করেছেন হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহাম। বিশ্বকাপের এক আসরে এই প্রথম কোনো ইংলিশ জুটি ৬টি করে গোল করার কীর্তি গড়লেন।
২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এখন পর্যন্ত ২৭টি ম্যাচের মধ্যে ছয়বার পিছিয়ে পড়েও জয় এসেছে। একটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে থেকে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডে এটি ১৯৩৪ সালের আসরকে (১৬ ম্যাচে ৬টি) স্পর্শ করেছে।
বিশ্বকাপে বেলিংহামের মোট গোলসংখ্যা এখন ৭। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তিনি আছেন হ্যারি কেনের (১৪) ও গ্যারি লিনেকারের (১০) পরেই।
এবারের বিশ্বকাপে ৬ গোল করে গ্যারি লিনেকারের ১৯৮৬ সালের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন বেলিংহাম। সেটিই ছিল কোনো ইংলিশ ফুটবলারের এক বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া সর্বাধিক গোলের রেকর্ড।
এছাড়া ২৪ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই বিশ্বকাপে ৭ গোল করে পেলের রেকর্ডও স্পর্শ করেছেন বেলিংহাম। ২৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে পেলেরও ছিল ৭টি বিশ্বকাপ গোল। তবে এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, যার ঝুলিতে ২৪ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই রয়েছে ১২টি বিশ্বকাপ গোল।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর কোয়ার্টার ফাইনালেও নরওয়ের বিপক্ষে দুইবার জালের দেখা পান বেলিংহাম। ফলে এক বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচে একাধিক গোল করা ইতিহাসের মাত্র পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে নজির গড়েন তিনি।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে একাধিক গোল করা খেলোয়াড়রা:
১৯৫৪: শান্দোর কোচিচ (হাঙ্গেরি) — কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৫৮: পেলে (ব্রাজিল) — সেমিফাইনাল ও ফাইনাল
১৯৬২: গারিঞ্চা (ব্রাজিল) — কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
১৯৮৬: দিয়েগো ম্যারাডোনা (আর্জেন্টিনা) — কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল
২০২৬: জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড) — শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনাল
২৩ বছর ১২ দিন বয়সে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা দুই ম্যাচে দুই বা তার বেশি গোল করা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলারও বেলিংহাম। এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন পেলে, যিনি ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ১৭ বছর ২৪৯ দিন বয়সে এই কীর্তি গড়েছিলেন।
চলতি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ম্যাচেই পিছিয়ে পড়েও জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে ইংল্যান্ড। এর আগে বিশ্বকাপ ইতিহাসে (তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বাদে) মাত্র দুইবার এমন সাফল্য পেয়েছিল ইংলিশরা—১৯৯০ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনের বিপক্ষে এবং ১৯৬৬ সালের ফাইনালে পশ্চিম জার্মানির বিপক্ষে।
এছাড়া বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অতিরিক্ত সময়ে গড়ানো নিজেদের শেষ তিনটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি ইংল্যান্ডের চতুর্থ সেমিফাইনাল। ২০১৮ সালের পর আবারও শেষ চারে জায়গা করে নিল তারা। ওই আসরে সেমিফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ক্রোয়েশিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল ইংলিশরা।
চলতি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সমান ৬টি করে গোল করেছেন হ্যারি কেন ও জুড বেলিংহাম। বিশ্বকাপের এক আসরে এই প্রথম কোনো ইংলিশ জুটি ৬টি করে গোল করার কীর্তি গড়লেন।
২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এখন পর্যন্ত ২৭টি ম্যাচের মধ্যে ছয়বার পিছিয়ে পড়েও জয় এসেছে। একটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে থেকে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডে এটি ১৯৩৪ সালের আসরকে (১৬ ম্যাচে ৬টি) স্পর্শ করেছে।
বিশ্বকাপে বেলিংহামের মোট গোলসংখ্যা এখন ৭। ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় তিনি আছেন হ্যারি কেনের (১৪) ও গ্যারি লিনেকারের (১০) পরেই।
এবারের বিশ্বকাপে ৬ গোল করে গ্যারি লিনেকারের ১৯৮৬ সালের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন বেলিংহাম। সেটিই ছিল কোনো ইংলিশ ফুটবলারের এক বিশ্বকাপে পেনাল্টি ছাড়া সর্বাধিক গোলের রেকর্ড।
এছাড়া ২৪ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই বিশ্বকাপে ৭ গোল করে পেলের রেকর্ডও স্পর্শ করেছেন বেলিংহাম। ২৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে পেলেরও ছিল ৭টি বিশ্বকাপ গোল। তবে এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, যার ঝুলিতে ২৪ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই রয়েছে ১২টি বিশ্বকাপ গোল।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
