৪০ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিতে আবার আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড
ফুটবল বিশ্ব আবারও সাক্ষী হতে যাচ্ছে এক ঐতিহাসিক মহারণের। চার দশক আগে বিশ্বকাপে যে লড়াই জন্ম দিয়েছিল ‘হ্যান্ড অব গড’ ও ‘শতাব্দীর সেরা গোল’-এর মতো স্মরণীয় মুহূর্ত, ঠিক ৪০ বছর পর আবারও বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড।
কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফলে ১৯৮৬ সালের সেই স্মরণীয় লড়াইয়ের নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রাজনৈতিক উত্তেজনা, ফকল্যান্ডস যুদ্ধের স্মৃতি এবং কয়েক দশকের আবেগ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
১৯৮৬ সালের ২২ জুন, মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার দর্শকের সামনে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে স্টিভ হজের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে পাওয়া বলে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনের সঙ্গে লাফিয়ে ওঠেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। উচ্চতায় পিছিয়ে থাকলেও বাঁ হাত দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। তিউনিসিয়ার রেফারি আলি বিন নাসের ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের তীব্র প্রতিবাদ উপেক্ষা করে গোলের অনুমোদন দেন।
ম্যাচ শেষে ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত মন্তব্য—‘খানিকটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর খানিকটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে’—ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। সেখান থেকেই জন্ম নেয় ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত শব্দবন্ধ ‘হ্যান্ড অব গড’।
এর মাত্র চার বছর আগে, ১৯৮২ সালে, আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল ফকল্যান্ডস যুদ্ধ। তাই অনেক আর্জেন্টাইনের কাছে সেই গোল ছিল শুধু একটি গোল নয়; বরং প্রতীকী প্রতিশোধেরও এক আবেগঘন মুহূর্ত।
তবে সেই ম্যাচে ম্যারাডোনার আরেকটি গোলই পরে ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে যায়। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ইংল্যান্ডের একের পর এক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে করা সেই গোলটি পরে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। অন্যদিকে ‘হ্যান্ড অব গড’-এর বিতর্ক আজও ভুলতে পারেননি ইংল্যান্ডের সাবেক গোলরক্ষক পিটার শিলটন।
এবারের বিশ্বকাপে কোচ টমাস টুখেলের অধীনে নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকে ৩-২ এবং কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। দুই ম্যাচেই জোড়া গোল করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জুড বেলিংহ্যাম।
অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনার পথও ছিল কঠিন। নকআউট পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ের পর শেষ ষোলোতে মিসরকে হারায় তারা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেসের গোলে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত করে শেষ চার নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
আগামী ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেমিফাইনাল। চার দশক আগে যে দুই দল বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস লিখেছিল, এবারও তাদের লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। ফুটবল বিশ্ব অপেক্ষায় আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায়ের।
কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে পরাজিত করে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ফলে ১৯৮৬ সালের সেই স্মরণীয় লড়াইয়ের নতুন অধ্যায় দেখার অপেক্ষায় বিশ্বজুড়ে ফুটবলপ্রেমীরা।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ শুধু একটি ফুটবল ম্যাচ নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে রাজনৈতিক উত্তেজনা, ফকল্যান্ডস যুদ্ধের স্মৃতি এবং কয়েক দশকের আবেগ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
১৯৮৬ সালের ২২ জুন, মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে প্রায় ১ লাখ ১৪ হাজার দর্শকের সামনে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে স্টিভ হজের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে পাওয়া বলে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনের সঙ্গে লাফিয়ে ওঠেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। উচ্চতায় পিছিয়ে থাকলেও বাঁ হাত দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। তিউনিসিয়ার রেফারি আলি বিন নাসের ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের তীব্র প্রতিবাদ উপেক্ষা করে গোলের অনুমোদন দেন।
ম্যাচ শেষে ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত মন্তব্য—‘খানিকটা ম্যারাডোনার মাথা দিয়ে, আর খানিকটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে’—ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। সেখান থেকেই জন্ম নেয় ফুটবলের সবচেয়ে আলোচিত শব্দবন্ধ ‘হ্যান্ড অব গড’।
এর মাত্র চার বছর আগে, ১৯৮২ সালে, আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল ফকল্যান্ডস যুদ্ধ। তাই অনেক আর্জেন্টাইনের কাছে সেই গোল ছিল শুধু একটি গোল নয়; বরং প্রতীকী প্রতিশোধেরও এক আবেগঘন মুহূর্ত।
তবে সেই ম্যাচে ম্যারাডোনার আরেকটি গোলই পরে ফুটবল ইতিহাসে অমর হয়ে যায়। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে ইংল্যান্ডের একের পর এক খেলোয়াড়কে কাটিয়ে করা সেই গোলটি পরে ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। অন্যদিকে ‘হ্যান্ড অব গড’-এর বিতর্ক আজও ভুলতে পারেননি ইংল্যান্ডের সাবেক গোলরক্ষক পিটার শিলটন।
এবারের বিশ্বকাপে কোচ টমাস টুখেলের অধীনে নানা চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইস ভাইরাসে আক্রান্ত হলেও শেষ ষোলোতে মেক্সিকোকে ৩-২ এবং কোয়ার্টার ফাইনালে নরওয়েকে ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা। দুই ম্যাচেই জোড়া গোল করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জুড বেলিংহ্যাম।
অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনির আর্জেন্টিনার পথও ছিল কঠিন। নকআউট পর্বে কেপ ভার্দের বিপক্ষে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ের পর শেষ ষোলোতে মিসরকে হারায় তারা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেসের গোলে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে পরাজিত করে শেষ চার নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।
আগামী ১৫ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই সেমিফাইনাল। চার দশক আগে যে দুই দল বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস লিখেছিল, এবারও তাদের লড়াই ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। ফুটবল বিশ্ব অপেক্ষায় আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায়ের।
