টানা বৃষ্টিতে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোলে তৈরি হয়েছে জলাবদ্ধতা। বন্দরের একাধিক শেডে হাঁটু পানি জমে যাওয়ায় পানিতে ভিজে নষ্ট হচ্ছে কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য। এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন আমদানিকারকরা।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩ নম্বর গেটের সামনে থাকা কয়েকটি শেডে পানি জমে যায়। এসব শেডে থাকা বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল পানিতে তলিয়ে যায়। বর্তমানে পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে পানি সরানোর চেষ্টা চলছে।
বন্দর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন এলাকা পানিতে ডুবে যায়। এতে ঝুঁকিতে পড়ে শত শত কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের।
বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, পানি ঢুকে কয়েকটি পণ্যাগারে থাকা মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্দরের বিভিন্ন চার্জ ও ভাড়া বাড়লেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির পক্ষ থেকেও অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে কয়েকটি শেডে পানি জমেছে। পাম্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে। তবে অব্যাহত বৃষ্টির কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে। পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে বেনাপোল বন্দরের ৩ নম্বর গেটের সামনে থাকা কয়েকটি শেডে পানি জমে যায়। এসব শেডে থাকা বিভিন্ন ধরনের আমদানিকৃত মালামাল পানিতে তলিয়ে যায়। বর্তমানে পাওয়ার পাম্পের মাধ্যমে পানি সরানোর চেষ্টা চলছে।
বন্দর ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন এলাকা পানিতে ডুবে যায়। এতে ঝুঁকিতে পড়ে শত শত কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন হলেও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ফলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাদের।
বেনাপোল বন্দরের ব্যবসায়ীরা জানান, পানি ঢুকে কয়েকটি পণ্যাগারে থাকা মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্দরের বিভিন্ন চার্জ ও ভাড়া বাড়লেও অবকাঠামোগত উন্নয়নে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি নেই বলেও অভিযোগ করেন তারা।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির পক্ষ থেকেও অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে জলাবদ্ধতার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে কয়েকটি শেডে পানি জমেছে। পাম্পের মাধ্যমে পানি নিষ্কাশনের কাজ চলছে। তবে অব্যাহত বৃষ্টির কারণে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বৃষ্টি কমলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
