বন্যা ও পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি
টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসে বিপর্যস্ত কক্সবাজার। গত সাত দিনের দুর্যোগে পানিতে ডুবে ও পাহাড়ধসে জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৬ জন। পানিবন্দি হয়ে দুর্বিষহ জীবন কাটাচ্ছেন প্রায় তিন লাখ মানুষ।
সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারায় ১২ বছর বয়সী হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণা। এ ঘটনায় তার দুই বোনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। একই দিন ভোরে চকরিয়ার মছনিয়া কাটা এলাকায় পাহাড়ধসে বসতঘর চাপা পড়ে মারা যায় একটি পরিবারের দুই শিশু। এছাড়া কক্সবাজার সদর, পেকুয়া এবং উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায় আরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় জেলার ১০টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের অন্তত ১৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা। পাশাপাশি সদর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাও পানির নিচে রয়েছে।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বান্দরবান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে এক লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং পানি দ্রুত নিষ্কাশনের কাজ চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারায় ১২ বছর বয়সী হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণা। এ ঘটনায় তার দুই বোনকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার চকরিয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায় পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়। একই দিন ভোরে চকরিয়ার মছনিয়া কাটা এলাকায় পাহাড়ধসে বসতঘর চাপা পড়ে মারা যায় একটি পরিবারের দুই শিশু। এছাড়া কক্সবাজার সদর, পেকুয়া এবং উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ বিভিন্ন এলাকায় আরও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় জেলার ১০টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের অন্তত ১৫০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা। পাশাপাশি সদর, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকাও পানির নিচে রয়েছে।
কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বান্দরবান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে এক লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং পানি দ্রুত নিষ্কাশনের কাজ চলছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
