প্রথম দুই ম্যাচে হেরে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ইতোমধ্যেই জিম্বাবুয়ের কাছে খুইয়েছে সফরকারী বাংলাদেশ। এবার হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই আগামীকাল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নামবে মেহেদি হাসান মিরাজের দল।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের শেষ ম্যাচ। সেখানে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে টাইগাররা।
জিম্বাবুয়ে সফরের শুরুটা হয়েছিল হতাশাজনকভাবে। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এরপরও ওয়ানডে সিরিজে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল টাইগাররা। কারণ, ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজেদের সর্বশেষ চারটি সিরিজেই জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
২০২৫ সালের অক্টোবরে আফগানিস্তানের কাছে সিরিজ হারার পর টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই সাফল্য আসে, যদিও চারটি সিরিজই ছিল দেশের মাটিতে।
তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে হেরে বসে বাংলাদেশ। ১৪১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১৬ রানে অলআউট হয়ে ২৫ রানের পরাজয় দিয়ে সিরিজ শুরু করে সফরকারীরা।
দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের খুব কাছে গিয়েও হতাশ হতে হয় মিরাজদের। জিম্বাবুয়ের করা ২৪৭ রানের জবাবে ৫ উইকেটে ২০৭ রান তুলে ভালো অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পাঁচ উইকেট হারায় মাত্র ২৭ রানে। ৪৮.১ ওভারে ২৩৪ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচের পাশাপাশি সিরিজও হাতছাড়া করে টাইগাররা। এর মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২২ সালে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল জিম্বাবুয়ে।
সিরিজ হারার কারণ হিসেবে ইনিংসের শেষ দিকে জুটি গড়তে না পারার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, উইকেট ভালো ছিল এবং ২৪৮ রানও বেশ ভালো স্কোর। আমাদের ইনিংসে খুব ভালোভাবে বল ব্যাটে আসছিল। আমরা যদি (শেষের দিকে) ভালো কোনো জুটি গড়তে পারতাম, তবে আরও ভালো হতো। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের আরও ভালো খেলা সম্ভব ছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমরা কোনো জুটি গড়তে পারিনি।
ওয়ানডে ইতিহাসে এর আগে দুইবার জিম্বাবুয়ের কাছে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। ২০০১ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের মাটিতে এবং একই বছরের নভেম্বরে ঘরের মাঠেও ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল টাইগাররা।
এদিকে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে সফরের শেষ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারবেন না বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তার পরিবর্তে ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। আর টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তাসকিন আহমেদ।
পরিসংখ্যান অবশ্য বাংলাদেশের পক্ষেই কথা বলছে। ওয়ানডেতে দুই দলের ৮৩ দেখায় বাংলাদেশ জিতেছে ৫১টি ম্যাচ, আর জিম্বাবুয়ের জয় ৩২টিতে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টায় অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের শেষ ম্যাচ। সেখানে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে টাইগাররা।
জিম্বাবুয়ে সফরের শুরুটা হয়েছিল হতাশাজনকভাবে। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ। এরপরও ওয়ানডে সিরিজে ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল টাইগাররা। কারণ, ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজেদের সর্বশেষ চারটি সিরিজেই জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।
২০২৫ সালের অক্টোবরে আফগানিস্তানের কাছে সিরিজ হারার পর টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জেতে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেই সাফল্য আসে, যদিও চারটি সিরিজই ছিল দেশের মাটিতে।
তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে হেরে বসে বাংলাদেশ। ১৪১ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১১৬ রানে অলআউট হয়ে ২৫ রানের পরাজয় দিয়ে সিরিজ শুরু করে সফরকারীরা।
দ্বিতীয় ম্যাচেও জয়ের খুব কাছে গিয়েও হতাশ হতে হয় মিরাজদের। জিম্বাবুয়ের করা ২৪৭ রানের জবাবে ৫ উইকেটে ২০৭ রান তুলে ভালো অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু শেষ পাঁচ উইকেট হারায় মাত্র ২৭ রানে। ৪৮.১ ওভারে ২৩৪ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচের পাশাপাশি সিরিজও হাতছাড়া করে টাইগাররা। এর মাধ্যমে টানা দ্বিতীয়বার জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২২ সালে তিন ম্যাচের সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল জিম্বাবুয়ে।
সিরিজ হারার কারণ হিসেবে ইনিংসের শেষ দিকে জুটি গড়তে না পারার ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করেছেন অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ। দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, উইকেট ভালো ছিল এবং ২৪৮ রানও বেশ ভালো স্কোর। আমাদের ইনিংসে খুব ভালোভাবে বল ব্যাটে আসছিল। আমরা যদি (শেষের দিকে) ভালো কোনো জুটি গড়তে পারতাম, তবে আরও ভালো হতো। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের আরও ভালো খেলা সম্ভব ছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমরা কোনো জুটি গড়তে পারিনি।
ওয়ানডে ইতিহাসে এর আগে দুইবার জিম্বাবুয়ের কাছে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। ২০০১ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের মাটিতে এবং একই বছরের নভেম্বরে ঘরের মাঠেও ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছিল টাইগাররা।
এদিকে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে সফরের শেষ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারবেন না বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তার পরিবর্তে ওয়ানডে দলে সুযোগ পেয়েছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। আর টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তাসকিন আহমেদ।
পরিসংখ্যান অবশ্য বাংলাদেশের পক্ষেই কথা বলছে। ওয়ানডেতে দুই দলের ৮৩ দেখায় বাংলাদেশ জিতেছে ৫১টি ম্যাচ, আর জিম্বাবুয়ের জয় ৩২টিতে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
