হাটহাজারীতে ‘পুলিশের সোর্সকে’ গুলি করে কুপিয়ে হত্যা
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় মুহাম্মদ আজম (৪৮) নামে এক দর্জিকে গুলি করার পর কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেখল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজমের বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির পাশের একটি বিলে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন মুহাম্মদ আজম। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে গিয়ে প্রথমে তাঁর পায়ে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে হামলাকারীরা। খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, আজম নিজ বাড়িতে দর্জির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাদের দাবি, এলাকার এক চিহ্নিত ব্যক্তির নেতৃত্বেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আজিজ বলেন, নিহত মুহাম্মদ আজম পুলিশের ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সুরতহালে তাঁর পায়ে গুলির চিহ্ন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে।
ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও অভিযোগ অনুযায়ী দিদারুল নামে এক স্থানীয় বাসিন্দার নেতৃত্বে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
তিনি বলেন, দিদারুল এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ডাকাত। তার বিরুদ্ধে থানায় আটটি মামলা রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার মেখল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেখল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজমের বাড়ি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাড়ির পাশের একটি বিলে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন মুহাম্মদ আজম। এ সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত সেখানে গিয়ে প্রথমে তাঁর পায়ে গুলি করে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে হামলাকারীরা। খবর পেয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, আজম নিজ বাড়িতে দর্জির কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তাদের দাবি, এলাকার এক চিহ্নিত ব্যক্তির নেতৃত্বেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তারেক আজিজ বলেন, নিহত মুহাম্মদ আজম পুলিশের ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ করতেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে পূর্ববিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। সুরতহালে তাঁর পায়ে গুলির চিহ্ন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে।
ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান জানান, প্রাথমিক তদন্ত ও অভিযোগ অনুযায়ী দিদারুল নামে এক স্থানীয় বাসিন্দার নেতৃত্বে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে।
তিনি বলেন, দিদারুল এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও ডাকাত। তার বিরুদ্ধে থানায় আটটি মামলা রয়েছে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
