২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফুটবলপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষা করছে এক আবেগঘন লড়াই। জন্মভূমি ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই মাঠে নামতে যাচ্ছেন নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। ইংল্যান্ডে জন্ম হলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে নরওয়ের প্রতিনিধিত্ব করা এই ফরোয়ার্ডের জন্য ম্যাচটি কেবল কোয়ার্টার ফাইনাল নয়, ব্যক্তিগতভাবেও একটি বিশেষ উপলক্ষ।
ম্যাচের আগে মিয়ামিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হালান্ড বলেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটা তার জন্য ভিন্ন রকমের অনুভূতির। তিনি জানান, ইংল্যান্ডেই তার জন্ম, সেখানেই বেড়ে উঠেছেন এবং বর্তমানে ক্লাব ফুটবলেও খেলছেন। তাই পরিচিত অনেক খেলোয়াড়ের বিপক্ষে মাঠে নামা নিঃসন্দেহে বিশেষ অভিজ্ঞতা হবে।
হালান্ড বলেন, "এটি অবশ্যই খুব বিশেষ একটি ম্যাচ। আমি ইংল্যান্ডে খেলি, ইংল্যান্ডেই আমার জন্ম। সেখানে আমার অনেক সতীর্থও আছে। তাই ম্যাচটি ভিন্ন রকমের অনুভূতি দেবে। এটি উপভোগ্য হবে।"
আর্লিং হালান্ডের জন্ম ইংল্যান্ডে, যখন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। পরে পরিবার নরওয়েতে ফিরে গেলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে নরওয়ের জার্সিই বেছে নেন তিনি। বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই গোলমেশিন।
এবারের বিশ্বকাপে নরওয়ের সাফল্যের পেছনেও সবচেয়ে বড় অবদান হালান্ডের। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে চার ম্যাচে করেছেন সাতটি গোল। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে জয়ের নায়কও ছিলেন তিনি।
তবে এমন সাফল্য নিজেও আগে কল্পনা করেননি বলে জানান হালান্ড। তার ভাষায়, নরওয়েকে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা তার কাছেও বিস্ময়কর। ব্রাজিলকে হারিয়ে এখন ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে পারা পুরো দলের জন্যই গর্বের বিষয়।
তিনি বলেন, "সত্যি বলতে আমি এমনটা আশা করিনি। নরওয়েকে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আমার কাছেও বিস্ময়কর। ব্রাজিলকে হারিয়ে এখন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামা আমাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা।"
হালান্ড আরও বলেন, নরওয়েতে মানুষ যেভাবে দলের সাফল্য উদযাপন করছে, তা প্রমাণ করে এই অর্জন দেশটির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি মুহূর্তই তারা উপভোগ করছেন।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড টানা তৃতীয় বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও ১৯৬৬ সালের পর আর কোনো বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জিততে পারেনি। সেই ইতিহাসের চাপ এবার প্রতিপক্ষের ওপরই রাখতে চান নরওয়ের এই তারকা।
হালান্ড বলেন, "ইংল্যান্ড অবশ্যই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তাই আমি বলব, যতটা সম্ভব চাপ ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ওপরই থাকুক।"
সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপের এই কোয়ার্টার ফাইনাল শুধুই দুই দলের লড়াই নয়; এটি আর্লিং হালান্ডের জন্য জন্মভূমির বিপক্ষে নিজের দেশকে নিয়ে ইতিহাস গড়ার এক অনন্য সুযোগ। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে নরওয়ে, আর সেই স্বপ্ন পূরণে সবচেয়ে বড় ভরসা তাদের অধিনায়ক ও গোলদাতা আর্লিং হালান্ড।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ম্যাচের আগে মিয়ামিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে হালান্ড বলেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলাটা তার জন্য ভিন্ন রকমের অনুভূতির। তিনি জানান, ইংল্যান্ডেই তার জন্ম, সেখানেই বেড়ে উঠেছেন এবং বর্তমানে ক্লাব ফুটবলেও খেলছেন। তাই পরিচিত অনেক খেলোয়াড়ের বিপক্ষে মাঠে নামা নিঃসন্দেহে বিশেষ অভিজ্ঞতা হবে।
হালান্ড বলেন, "এটি অবশ্যই খুব বিশেষ একটি ম্যাচ। আমি ইংল্যান্ডে খেলি, ইংল্যান্ডেই আমার জন্ম। সেখানে আমার অনেক সতীর্থও আছে। তাই ম্যাচটি ভিন্ন রকমের অনুভূতি দেবে। এটি উপভোগ্য হবে।"
আর্লিং হালান্ডের জন্ম ইংল্যান্ডে, যখন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড লিডস ইউনাইটেডের হয়ে খেলতেন। পরে পরিবার নরওয়েতে ফিরে গেলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে নরওয়ের জার্সিই বেছে নেন তিনি। বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে বিশ্বের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এই গোলমেশিন।
এবারের বিশ্বকাপে নরওয়ের সাফল্যের পেছনেও সবচেয়ে বড় অবদান হালান্ডের। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে ফিরে দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে চার ম্যাচে করেছেন সাতটি গোল। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে জয়ের নায়কও ছিলেন তিনি।
তবে এমন সাফল্য নিজেও আগে কল্পনা করেননি বলে জানান হালান্ড। তার ভাষায়, নরওয়েকে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা তার কাছেও বিস্ময়কর। ব্রাজিলকে হারিয়ে এখন ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলতে পারা পুরো দলের জন্যই গর্বের বিষয়।
তিনি বলেন, "সত্যি বলতে আমি এমনটা আশা করিনি। নরওয়েকে নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা আমার কাছেও বিস্ময়কর। ব্রাজিলকে হারিয়ে এখন বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামা আমাদের জন্য দারুণ এক অভিজ্ঞতা।"
হালান্ড আরও বলেন, নরওয়েতে মানুষ যেভাবে দলের সাফল্য উদযাপন করছে, তা প্রমাণ করে এই অর্জন দেশটির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তাই প্রতিটি মুহূর্তই তারা উপভোগ করছেন।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ড টানা তৃতীয় বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেও ১৯৬৬ সালের পর আর কোনো বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা জিততে পারেনি। সেই ইতিহাসের চাপ এবার প্রতিপক্ষের ওপরই রাখতে চান নরওয়ের এই তারকা।
হালান্ড বলেন, "ইংল্যান্ড অবশ্যই শিরোপার অন্যতম দাবিদার। তাই আমি বলব, যতটা সম্ভব চাপ ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের ওপরই থাকুক।"
সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপের এই কোয়ার্টার ফাইনাল শুধুই দুই দলের লড়াই নয়; এটি আর্লিং হালান্ডের জন্য জন্মভূমির বিপক্ষে নিজের দেশকে নিয়ে ইতিহাস গড়ার এক অনন্য সুযোগ। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামবে নরওয়ে, আর সেই স্বপ্ন পূরণে সবচেয়ে বড় ভরসা তাদের অধিনায়ক ও গোলদাতা আর্লিং হালান্ড।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
