টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিন দিন ধরে রাঙামাটির সাজেকে আটকে থাকা সব পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পর্যটকেরা হোটেল ও রিসোর্ট ত্যাগ করে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হন।
সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর সহায়তায় প্রায় ১৫০ জন পর্যটক সাজেক ছেড়ে যান। শুক্রবার সকালে আরও ৩১১ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এদিকে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাচালং নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার প্রায় ৩০টি গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উপজেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় চার হাজার মানুষ।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড এবং উপজেলার আটটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য রান্না করা খাবারের পাশাপাশি চাল, ডাল, চিড়া, চিনি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের শুকুরছড়ি এলাকায় মাটি ধসে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুটি খুঁটি হেলে পড়ে। এতে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত জেলা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। পরে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ শেষে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি এখনও রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, টানা বর্ষণে জেলার বিভিন্ন স্থানে ১০৪টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ অবস্থান করছেন। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
এদিকে দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। বিলাইছড়ি উপজেলায় নিখোঁজ এক ব্যবসায়ীর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে। এছাড়া সদর উপজেলার কাপ্তাই হ্রদ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাঘাইছড়িতে পাহাড়ধসে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে এবং কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ঘটনায় আহত দুই শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর সহায়তায় প্রায় ১৫০ জন পর্যটক সাজেক ছেড়ে যান। শুক্রবার সকালে আরও ৩১১ জন পর্যটককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। এর মধ্য দিয়ে সাজেকে আটকে পড়া সব পর্যটককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।
এদিকে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কাচালং নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার প্রায় ৩০টি গ্রামের হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় উপজেলার ১৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় চার হাজার মানুষ।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ড এবং উপজেলার আটটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য রান্না করা খাবারের পাশাপাশি চাল, ডাল, চিড়া, চিনি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। দুর্গত এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, টানা বৃষ্টির কারণে রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ইউনিয়নের শুকুরছড়ি এলাকায় মাটি ধসে ৩৩ কেভি বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের দুটি খুঁটি হেলে পড়ে। এতে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত জেলা শহরে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। পরে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত কাজ শেষে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হয়।
রাঙামাটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি এখনও রয়েছে বলে সতর্ক করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, টানা বর্ষণে জেলার বিভিন্ন স্থানে ১০৪টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে চার হাজার মানুষ অবস্থান করছেন। দুর্গত এলাকায় উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কাজ করছেন।
এদিকে দুর্যোগে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। বিলাইছড়ি উপজেলায় নিখোঁজ এক ব্যবসায়ীর সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চলছে। এছাড়া সদর উপজেলার কাপ্তাই হ্রদ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বাঘাইছড়িতে পাহাড়ধসে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে এবং কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ঘটনায় আহত দুই শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটির বিভিন্ন এলাকায় জনজীবন এখনও স্বাভাবিক হয়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
