বর্ষাকাল শুরু হলে অনেক বাড়িতেই বাড়ির মুরব্বিরা দই খেতে নিষেধ করেন। এতে প্রশ্ন উঠতেই পারে, দই উপকারী হলে কেন বর্ষাকালে খেতে বারন করা হয়? আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকদের মতে, দই পুষ্টিকর হলেও বর্ষাকালে এটি সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক উপায়ে গ্রহণ করাই সবচেয়ে ভালো।
দইয়ে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকায় শরীরের জন্য উপকারী। এটি হজমশক্তি উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এই কারণেই এটিকে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখতে পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের মতে, বর্ষাকালে আমাদের হজমশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে দই হজম হতে বেশি সময় লাগতে পারে। এর ফলে কারো কারো গ্যাস, পেট ফাঁপা বা বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই মৌসুমে অতিরিক্ত দই খাওয়া এড়ানো উচিত।
আয়ুর্বেদ অনুসারে, রাতে সাধারণ দই খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে এটি কিছু মানুষের কফ বাড়িয়ে দিতে পারে। সেই সঙ্গে গলা ব্যথা বা শ্লেষ্মার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে দই খেতে চাইলে অবশ্যই দিনের বেলা খাওয়া ভালো।
বর্ষাকালে দই পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে এটি সঠিক উপায়ে খাওয়া জরুরি। চাইলে দইয়ের সাথে কিছু ভাজা জিরা এবং কালো লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। ফ্রিজ থেকে বের করার সাথে সাথেই দই খাওয়া ঠিক নয়। এটিকে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। আয়ুর্বেদ অনুসারে, ঘি, চিনি বা আমলকী দিয়ে দই খাওয়াও উপকারী বলে মনে করা হয়।
কারও যদি আগে থেকেই গ্যাস, বদহজম বা হজমের সমস্যা থাকে, তাহলে বর্ষাকালে পরিমিত পরিমাণে দই খান। এই ঋতুতে হালকা ও সহজে হজম করা যায় এমন খাবার খাওয়াই ভালো। কারও যদি দই খাওয়ার পর বারবার অস্বস্তি হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সূত্র: টাইমস নাও
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
দইয়ে অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকায় শরীরের জন্য উপকারী। এটি হজমশক্তি উন্নত করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এই কারণেই এটিকে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখতে পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
আয়ুর্বেদ চিকিৎসকদের মতে, বর্ষাকালে আমাদের হজমশক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে। এ কারণে দই হজম হতে বেশি সময় লাগতে পারে। এর ফলে কারো কারো গ্যাস, পেট ফাঁপা বা বদহজমের মতো সমস্যা দেখা দেয়। তাই এই মৌসুমে অতিরিক্ত দই খাওয়া এড়ানো উচিত।
আয়ুর্বেদ অনুসারে, রাতে সাধারণ দই খাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে। তা না হলে এটি কিছু মানুষের কফ বাড়িয়ে দিতে পারে। সেই সঙ্গে গলা ব্যথা বা শ্লেষ্মার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এ কারণে দই খেতে চাইলে অবশ্যই দিনের বেলা খাওয়া ভালো।
বর্ষাকালে দই পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে এটি সঠিক উপায়ে খাওয়া জরুরি। চাইলে দইয়ের সাথে কিছু ভাজা জিরা এবং কালো লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন। ফ্রিজ থেকে বের করার সাথে সাথেই দই খাওয়া ঠিক নয়। এটিকে ঘরের স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ঠান্ডা হতে দিন। আয়ুর্বেদ অনুসারে, ঘি, চিনি বা আমলকী দিয়ে দই খাওয়াও উপকারী বলে মনে করা হয়।
কারও যদি আগে থেকেই গ্যাস, বদহজম বা হজমের সমস্যা থাকে, তাহলে বর্ষাকালে পরিমিত পরিমাণে দই খান। এই ঋতুতে হালকা ও সহজে হজম করা যায় এমন খাবার খাওয়াই ভালো। কারও যদি দই খাওয়ার পর বারবার অস্বস্তি হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সূত্র: টাইমস নাও
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
