ATN
শিরোনাম
  •  

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

         
রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

রাঙামাটিতে ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটি পার্বত্য জেলায় ভয়াবহ দুর্যোগ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের মিডিয়া সেলে নেজারত শাখার ডেপুটি কালেক্টর শেখ সালমান জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির এসব তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জেলার ৩৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন।

‎এদিকে সকাল থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। তবে বাঘাইছড়ি উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়েছে পড়েছেন। বিশেষ করে বাঘাইছড়ি কাচালং কলেজ, উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা প্লাবিত হয়েছে।

‎গত কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে জেলায় ৬০টি পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটলেও পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী বেশিরভাগ বাসিন্দাই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। গত বুধবার পর্যন্ত কাপ্তাই উপজেলার ১৮টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র ৩টি আশ্রয়কেন্দ্রে ১০৩ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ফলে অধিকাংশ আশ্রয়কেন্দ্র ফাঁকা পড়ে রয়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে জেলা শহরের কয়েকটি আশ্রয়কেন্দ্রেও।

বর্তমানে রাঙামাটি পৌরসভা, রাঙামাটি সদর, কাউখালী, কাপ্তাই, বাঘাইছড়ি পৌরসভা, বাঘাইছড়ি উপজেলা, জুরাছড়ি, রাজস্থলী, নানিয়ারচর ও বিলাইছড়ি উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্গত মানুষ অবস্থান করছেন। তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

এদিকে পাহাড় ধস ও সড়কে পানি উঠায় রাঙামাটির সাথে খাগড়াছড়ির যোগাযোগ ব্যবস্থা বিছিন্ন রয়েছে।

রাঙামাটি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. তারেক সেকান্দার জানান, জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ বাহিনী মাঠে কাজ করছে। যারা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আছেন, তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুহাম্মদ ইমরানুল হক ভূঁইয়া বলেন, অনেক জায়গায় ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে। আমরা কোন প্রাণহানি চাই না।’

যারা এখনও ঝুঁকি নিয়ে এলাকায় আছেন, তাদেরকে দ্রুত আশ্রয়কেন্দ্রে চলে আসার আহ্বান জানান তিনি।

‎সকাল থেকে রাঙামাটিতে বৃষ্টিপাত বন্ধ রয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। যদি এই অবস্থা অব্যাহত থাকে তাহলে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ