রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে আরও ২০০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ।
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মতিঝিল, উত্তরা, শাহবাগ-আবদুল্লাহপুর ভিআইপি সড়ক, পূর্বাচল ৩০০ ফুট এক্সপ্রেসওয়ে এবং মিরপুর এলাকায় নতুন ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। আগামী আগস্টের মধ্যে এসব এলাকাকে এআই ক্যামেরার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।
বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ৩৭টি এআই ক্যামেরা এবং বিভিন্ন স্থানে ৮০টি পিটিজেড ক্যামেরা দিয়ে ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকায় নতুন ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে পুরো ঢাকা শহরকে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।
ডিএমপি বলছে, এআই সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে। পরে তথ্য যাচাই করে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের কাছে ডাকযোগে এবং এসএমএসের মাধ্যমে মামলার নোটিশ পাঠানো হয়।
গত ৭ মে এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরুর পর থেকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে বাসের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে লেন পরিবর্তন, সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং নির্ধারিত স্থানে না থামার মতো অপরাধে এসব মামলা করা হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, 'স্মার্ট পুলিশিং' প্রকল্পের আওতায় ভবিষ্যতে রাজধানীজুড়ে এআই ক্যামেরা, ফেস রিকগনিশন সিসিটিভি এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি চালু করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে মতিঝিল, উত্তরা, শাহবাগ-আবদুল্লাহপুর ভিআইপি সড়ক, পূর্বাচল ৩০০ ফুট এক্সপ্রেসওয়ে এবং মিরপুর এলাকায় নতুন ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। আগামী আগস্টের মধ্যে এসব এলাকাকে এআই ক্যামেরার আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে।
বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ৩৭টি এআই ক্যামেরা এবং বিভিন্ন স্থানে ৮০টি পিটিজেড ক্যামেরা দিয়ে ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকায় নতুন ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে পুরো ঢাকা শহরকে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরার আওতায় আনা হবে।
ডিএমপি বলছে, এআই সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা শনাক্ত করে। পরে তথ্য যাচাই করে সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের কাছে ডাকযোগে এবং এসএমএসের মাধ্যমে মামলার নোটিশ পাঠানো হয়।
গত ৭ মে এই প্রযুক্তির ব্যবহার শুরুর পর থেকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে বাসের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে লেন পরিবর্তন, সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং নির্ধারিত স্থানে না থামার মতো অপরাধে এসব মামলা করা হয়েছে।
ডিএমপি জানিয়েছে, 'স্মার্ট পুলিশিং' প্রকল্পের আওতায় ভবিষ্যতে রাজধানীজুড়ে এআই ক্যামেরা, ফেস রিকগনিশন সিসিটিভি এবং আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি চালু করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
