উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মাদ্রাসার ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, আহত ১৪
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে একটি মাদ্রাসার ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় আরও ১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ থাকায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, জীবিত উদ্ধার হওয়া ১৪ জনের মধ্যে ৬ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, এপিবিএন, স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
উদ্ধারকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজন মারা যান। তাদের মধ্যে ক্যাম্প-৩-এর জিকে (GK) হাসপাতালে দুইজন, ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি (IRC) হাসপাতালে একজন এবং ক্যাম্প-৫-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আহতদের মধ্যে ৬ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ক্যাম্প-৩-এর আইওএম হাসপাতালে ৩ জন, ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি হাসপাতালে ২ জন এবং ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের আইওএম হাসপাতালে ১ জন ভর্তি রয়েছেন।
এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া নিহতরা হলেন— ব্লক এ-১১-এর রাশিদা বেগম (১৩), ব্লক এফ-১-এর উম্মে নেজাতুল (১৩), ব্লক এফ-১-এর সালমা (১২) এবং ব্লক এ-৮-এর উমাইসা বিবি (১৩)। বাকি নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আহতদের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হয়েছে আসরা (৯), বেগম জান (১৫) ও ফারেসা বিবি (১২)-এর। অন্যদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসার ওপর আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৩০ জন শিশু কোরআন শিক্ষা ও পাঠগ্রহণে অংশ নিচ্ছিল। হঠাৎ পাহাড়ধসে ভবনটি মাটিচাপা পড়ে গেলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারের কাজ সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর আগে গত ৬ জুলাই রাতেও পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আটজনের প্রাণহানি ঘটে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যার দিকে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, জীবিত উদ্ধার হওয়া ১৪ জনের মধ্যে ৬ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে আটকে পড়াদের উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস, এপিবিএন, স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।
উদ্ধারকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন শিশু এবং একজন শিক্ষক রয়েছেন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজন মারা যান। তাদের মধ্যে ক্যাম্প-৩-এর জিকে (GK) হাসপাতালে দুইজন, ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি (IRC) হাসপাতালে একজন এবং ক্যাম্প-৫-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আহতদের মধ্যে ৬ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে ক্যাম্প-৩-এর আইওএম হাসপাতালে ৩ জন, ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি হাসপাতালে ২ জন এবং ক্যাম্প-২ ওয়েস্টের আইওএম হাসপাতালে ১ জন ভর্তি রয়েছেন।
এ পর্যন্ত শনাক্ত হওয়া নিহতরা হলেন— ব্লক এ-১১-এর রাশিদা বেগম (১৩), ব্লক এফ-১-এর উম্মে নেজাতুল (১৩), ব্লক এফ-১-এর সালমা (১২) এবং ব্লক এ-৮-এর উমাইসা বিবি (১৩)। বাকি নিহতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আহতদের মধ্যে পরিচয় শনাক্ত হয়েছে আসরা (৯), বেগম জান (১৫) ও ফারেসা বিবি (১২)-এর। অন্যদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পাশের খদিজাতুল কুবরা মহিলা মাদ্রাসার ওপর আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় মাদ্রাসাটিতে প্রায় ৩০ জন শিশু কোরআন শিক্ষা ও পাঠগ্রহণে অংশ নিচ্ছিল। হঠাৎ পাহাড়ধসে ভবনটি মাটিচাপা পড়ে গেলে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পরপরই স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন, ফায়ার সার্ভিস এবং বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে হতাহতদের উদ্ধারের কাজ সন্ধ্যা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। এ কারণে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, প্রথমে ঘটনাস্থল থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এর আগে গত ৬ জুলাই রাতেও পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আটজনের প্রাণহানি ঘটে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
