নাহিদের রেকর্ড গড়া বোলিংও বৃথা, ১৪২ রানের লক্ষ্যেও জিম্বাবুয়ের কাছে হারল বাংলাদেশ
পেসার নাহিদ রানার ক্যারিয়ারসেরা বোলিংও বাংলাদেশের পরাজয় ঠেকাতে পারেনি। হারারেতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ২৫ রানে হেরেছে টাইগাররা।
১৪২ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১১৬ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে।
আজ হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ভালোই এগোচ্ছিল জিম্বাবুয়ে। প্রথম ছয় ওভারে তারা তোলে ২৭ রান।
তবে সপ্তম ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমে বেন কারান ১৮ রানে রানআউট হন। একই ওভারের শেষ বলে ১৭ রান করা ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। এরপর নবম ওভারের প্রথম বলেই ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়েকে ৩৮ রানে ৩ উইকেটের চাপে ফেলেন এই পেসার।
এরপর শুরু হয় নাহিদ রানার দাপট। মাত্র ২৫ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়ের পরের পাঁচটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তার শিকার হন সিকান্দার রাজা (১), ওয়েসলি মাধেভেরে (০), ক্লাইভ মাদান্দে (২), ইনোসেন্ট কাইয়া (২৬) ও ব্র্যাড ইভান্স (৩)। এতে ৭০ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।
১৪ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি ছিল নাহিদ রানার তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। এর আগে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
দলকে ধসের হাত থেকে উদ্ধার করেন অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান ন্যামহুরি। নবম উইকেটে তারা ৮১ বলে ৬৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। এনগারাভা ৪১ বলে ২৭ রান করার পর নাহিদের বলে বোল্ড হন। এতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে ইনিংসে ৬ উইকেটের স্বাদ পান এই তরুণ পেসার।
এরপর দলীয় ১৩৩ রানে নবম উইকেট পতনের পর আর বেশি দূর এগোতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। শেষ ব্যাটার নিউম্যান ন্যামহুরিকে ৫১ বলে ৩৩ রানে আউট করে ৩৬.৪ ওভারে ১৪১ রানে স্বাগতিকদের অলআউট করেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্লেসিং মুজারাবানি ৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
১০ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড গড়েন নাহিদ রানা। তিনি ছাড়িয়ে যান সাবেক দুই পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা ও রুবেল হোসেনের রেকর্ড। এছাড়া তাসকিন আহমেদ নেন ২টি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ১টি উইকেট।
১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৭ রানেই ফিরে যান তিন ব্যাটার। তানজিদ হাসান ৮, নাজমুল হোসেন শান্ত ৩ এবং সৌম্য সরকার ৬ রান করে আউট হন।
এরপর চতুর্থ উইকেটে তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান ৪৯ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে ৫৮ বলে ২৫ রান করে হৃদয় আউট হলে আবারও ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে।
দলীয় ৬৬ রানে হৃদয়ের বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। শেষ সাত উইকেট হারায় মাত্র ৫০ রানে। ৩৩.১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয়ে ২৫ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের হয়ে নুরুল হাসান সোহান ৪৪ বলে ৩১ রান করে সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ১০, মোসাদ্দেক হোসেন ৩, রিশাদ হোসেন ৩, তাসকিন আহমেদ ৫ এবং মুস্তাফিজুর রহমান ৫ রান করেন। নাহিদ রানা ৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স তিনটি করে উইকেট নেন। ব্লেসিং মুজারাবানি ও নিউম্যান ন্যামহুরি শিকার করেন দুটি করে উইকেট। ব্যাট হাতে ৩৩ রান এবং বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন নিউম্যান ন্যামহুরি।
তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ আগামী ৯ জুলাই দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
১৪২ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১১৬ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে।
আজ হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ভালোই এগোচ্ছিল জিম্বাবুয়ে। প্রথম ছয় ওভারে তারা তোলে ২৭ রান।
তবে সপ্তম ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। প্রথমে বেন কারান ১৮ রানে রানআউট হন। একই ওভারের শেষ বলে ১৭ রান করা ব্রায়ান বেনেটকে ফিরিয়ে দেন তাসকিন। এরপর নবম ওভারের প্রথম বলেই ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়েকে ৩৮ রানে ৩ উইকেটের চাপে ফেলেন এই পেসার।
এরপর শুরু হয় নাহিদ রানার দাপট। মাত্র ২৫ রানের মধ্যে জিম্বাবুয়ের পরের পাঁচটি উইকেট তুলে নেন তিনি। তার শিকার হন সিকান্দার রাজা (১), ওয়েসলি মাধেভেরে (০), ক্লাইভ মাদান্দে (২), ইনোসেন্ট কাইয়া (২৬) ও ব্র্যাড ইভান্স (৩)। এতে ৭০ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে স্বাগতিকরা।
১৪ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি ছিল নাহিদ রানার তৃতীয় পাঁচ উইকেট শিকার। এর আগে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।
দলকে ধসের হাত থেকে উদ্ধার করেন অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান ন্যামহুরি। নবম উইকেটে তারা ৮১ বলে ৬৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন। এনগারাভা ৪১ বলে ২৭ রান করার পর নাহিদের বলে বোল্ড হন। এতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডেতে ইনিংসে ৬ উইকেটের স্বাদ পান এই তরুণ পেসার।
এরপর দলীয় ১৩৩ রানে নবম উইকেট পতনের পর আর বেশি দূর এগোতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। শেষ ব্যাটার নিউম্যান ন্যামহুরিকে ৫১ বলে ৩৩ রানে আউট করে ৩৬.৪ ওভারে ১৪১ রানে স্বাগতিকদের অলআউট করেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্লেসিং মুজারাবানি ৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
১০ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নিয়ে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সেরা বোলিংয়ের নতুন রেকর্ড গড়েন নাহিদ রানা। তিনি ছাড়িয়ে যান সাবেক দুই পেসার মাশরাফি বিন মর্তুজা ও রুবেল হোসেনের রেকর্ড। এছাড়া তাসকিন আহমেদ নেন ২টি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ নেন ১টি উইকেট।
১৪২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৭ রানেই ফিরে যান তিন ব্যাটার। তানজিদ হাসান ৮, নাজমুল হোসেন শান্ত ৩ এবং সৌম্য সরকার ৬ রান করে আউট হন।
এরপর চতুর্থ উইকেটে তাওহিদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান ৪৯ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে ৫৮ বলে ২৫ রান করে হৃদয় আউট হলে আবারও ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে।
দলীয় ৬৬ রানে হৃদয়ের বিদায়ের পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। শেষ সাত উইকেট হারায় মাত্র ৫০ রানে। ৩৩.১ ওভারে ১১৬ রানে অলআউট হয়ে ২৫ রানের পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের হয়ে নুরুল হাসান সোহান ৪৪ বলে ৩১ রান করে সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন। এছাড়া মেহেদী হাসান মিরাজ ১০, মোসাদ্দেক হোসেন ৩, রিশাদ হোসেন ৩, তাসকিন আহমেদ ৫ এবং মুস্তাফিজুর রহমান ৫ রান করেন। নাহিদ রানা ৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
জিম্বাবুয়ের হয়ে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্স তিনটি করে উইকেট নেন। ব্লেসিং মুজারাবানি ও নিউম্যান ন্যামহুরি শিকার করেন দুটি করে উইকেট। ব্যাট হাতে ৩৩ রান এবং বল হাতে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন নিউম্যান ন্যামহুরি।
তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ আগামী ৯ জুলাই দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
