ভেজালবিরোধী কার্যক্রম জোরদারে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমস্যার মধ্য দিয়েই দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও স্বার্থে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ও সচেতন হয়ে কাজ করতে হবে।
তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ একসময় বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে ছিল। কিন্তু সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা উন্নতির শিখরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশও আন্তরিকতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ)।
সভায় প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন।
তিনি কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে নিয়ে তিন সদস্যের এ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভেজালবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। তারা জেলা পর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন, মাঠপর্যায়ে উন্নত সরঞ্জামের ব্যবস্থা এবং সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
মো. সুজাউদ্দৌলা বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন। সেই লক্ষ্যেই তিনি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, দেশের অনেক লেক আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও এসব আবর্জনা অনেক সময় শিক্ষিত মানুষই ফেলছেন। যারা সচেতন থাকার কথা, তারাই অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ করছেন না। দেশকে বদলাতে হলে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
তিনি বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ একসময় বাংলাদেশের চেয়েও পিছিয়ে ছিল। কিন্তু সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তারা উন্নতির শিখরে পৌঁছেছে। বাংলাদেশও আন্তরিকতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ)।
সভায় প্রধানমন্ত্রী নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি এসব প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেন।
তিনি কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘমেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনিকে নিয়ে তিন সদস্যের এ কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
সভায় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠপর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা অংশ নেন।
এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ভেজালবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। তারা জেলা পর্যায়ে জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক ল্যাবরেটরি স্থাপন, মাঠপর্যায়ে উন্নত সরঞ্জামের ব্যবস্থা এবং সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন।
মো. সুজাউদ্দৌলা বলেন, প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন। সেই লক্ষ্যেই তিনি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন।
জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, দেশের অনেক লেক আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও এসব আবর্জনা অনেক সময় শিক্ষিত মানুষই ফেলছেন। যারা সচেতন থাকার কথা, তারাই অনেক ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল আচরণ করছেন না। দেশকে বদলাতে হলে সরকারের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্য সচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
