মাদরাসায় এখন অনেক ভালো লেখাপড়া হয়: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, বর্তমানে দেশের মাদরাসাগুলোতে অনেক ভালো মানের পড়াশোনা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও এখন মাদরাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। অথচ মাদরাসার শিক্ষকরা সরকারি বেতন, পেনশন কিংবা গ্র্যাচুইটির সুবিধা পান না।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা হলরুমে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা নিয়মিত সরকারি বেতন, অবসরের পর পেনশন ও গ্র্যাচুইটির সুবিধা পান। কিন্তু মাদরাসার শিক্ষকদের এসব সুবিধা নেই। তা সত্ত্বেও তারা নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে উঠে এসেছেন, যদিও এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদানও নেই।
আহমেদ আযম খান বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং শিক্ষাদানকে নিজেদের দায়িত্ব ও আমানত হিসেবে বিবেচনা করেন। সরকারি বেতন না পেলেও বিভিন্ন উৎস থেকে সামান্য আয়ে তারা জীবিকা নির্বাহ করেন। কেউ কোরআন শিক্ষা দিয়ে, আবার কেউ স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়ে সংসার চালান।
তিনি আরও বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মাদরাসা, কিন্ডারগার্টেন এবং ইংলিশ মিডিয়াম থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানো শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় কম, যা উদ্বেগের বিষয়। এ কারণে শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খুরশিদ জাহান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক টিটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মাস্টার, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি আকবর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কবির হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মোহাম্মদ সবুর রেজাসহ অন্যান্যরা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা হলরুমে শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি স্কুলের শিক্ষকরা নিয়মিত সরকারি বেতন, অবসরের পর পেনশন ও গ্র্যাচুইটির সুবিধা পান। কিন্তু মাদরাসার শিক্ষকদের এসব সুবিধা নেই। তা সত্ত্বেও তারা নিষ্ঠার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছেন। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী মাদরাসা থেকে উঠে এসেছেন, যদিও এসব প্রতিষ্ঠানে সরকারি অনুদানও নেই।
আহমেদ আযম খান বলেন, মাদরাসার শিক্ষকরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন এবং শিক্ষাদানকে নিজেদের দায়িত্ব ও আমানত হিসেবে বিবেচনা করেন। সরকারি বেতন না পেলেও বিভিন্ন উৎস থেকে সামান্য আয়ে তারা জীবিকা নির্বাহ করেন। কেউ কোরআন শিক্ষা দিয়ে, আবার কেউ স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সহযোগিতা নিয়ে সংসার চালান।
তিনি আরও বলেন, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন মাদরাসা, কিন্ডারগার্টেন এবং ইংলিশ মিডিয়াম থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য। অন্যদিকে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছানো শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় কম, যা উদ্বেগের বিষয়। এ কারণে শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খুরশিদ জাহান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক টিটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মাস্টার, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সহ-সভাপতি আকবর হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কবির হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক সিকদার মোহাম্মদ সবুর রেজাসহ অন্যান্যরা।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
