নাহিদের আগুনঝরা বোলিংয়ে ১৪১ রানে গুটিয়ে গেল জিম্বাবুয়ে
একমাত্র টেস্টে হারের পর সাদা বলের সিরিজ শুরু করেছিল কিছুটা চাপে থাকা বাংলাদেশ। তবে ফরম্যাট বদলের সঙ্গে বদলে গেছে দলের পারফরম্যান্সও। হারারেতে প্রথম ওয়ানডেতে দুর্দান্ত বোলিংয়ে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে মাত্র ১৪১ রানে অলআউট করেছে টাইগাররা। পেসার নাহিদ রানা একাই শিকার করেছেন ৬ উইকেট, আর তাসকিন আহমেদ শুরুতেই ভেঙে দেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ।
সোমবার হারারেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩৬.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নিউম্যান নিয়ামুরি। বাংলাদেশের হয়ে ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার বেন কারান ও ব্রায়ান বেনেট শুরুতে ৩৬ রানের জুটি গড়ে ভালো ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হয়ে ফেরেন কারান। এরপরের বলেই তাসকিন আহমেদের শিকার হন বেনেট। ২৪ বলে ১৭ রান করা এই ওপেনার ক্যাচ দিয়ে ফেরার পর প্রথম বলেই ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করে স্বাগতিকদের আরও চাপে ফেলে দেন তাসকিন।
এরপর নাহিদ রানার গতি ও বাউন্সের সামনে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। তার শিকার হন সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদানধে এবং ইনোসেন্ট কাইয়া। রাজা ১২ বলে ১ রান করে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন। মাধেভেরে কোনো রান না করেই স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন। মাদানধে ফেরেন ২ রান করে।
এক প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। তবে ৩৯ বলে ২৬ রান করে তিনিও নাহিদের শিকার হন। তখন ৭০ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে জিম্বাবুয়ে।
এরপর নবম উইকেটে রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান নিয়ামুরি ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে কিছুটা এগিয়ে নেন। তবে ২৭ রান করা এনগারাভাকে বোল্ড করে সেই জুটিও ভাঙেন নাহিদ রানা। সেটিই ছিল ইনিংসে তার ষষ্ঠ উইকেট।
এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করলেন নাহিদ রানা। ১৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট নেওয়ার তালিকায় এখন তার ওপরে রয়েছেন শুধু মোস্তাফিজুর রহমান।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার হারারেতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৩৬.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন নিউম্যান নিয়ামুরি। বাংলাদেশের হয়ে ২১ রান দিয়ে ৬ উইকেট নেন নাহিদ রানা।
জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার বেন কারান ও ব্রায়ান বেনেট শুরুতে ৩৬ রানের জুটি গড়ে ভালো ভিত্তি তৈরি করেছিলেন। তবে মেহেদী হাসান মিরাজের সরাসরি থ্রোতে রান আউট হয়ে ফেরেন কারান। এরপরের বলেই তাসকিন আহমেদের শিকার হন বেনেট। ২৪ বলে ১৭ রান করা এই ওপেনার ক্যাচ দিয়ে ফেরার পর প্রথম বলেই ক্রেইগ আরভিনকে বোল্ড করে স্বাগতিকদের আরও চাপে ফেলে দেন তাসকিন।
এরপর নাহিদ রানার গতি ও বাউন্সের সামনে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে জিম্বাবুয়ে। তার শিকার হন সিকান্দার রাজা, ওয়েসলি মাধেভেরে, ক্লাইভ মাদানধে এবং ইনোসেন্ট কাইয়া। রাজা ১২ বলে ১ রান করে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন। মাধেভেরে কোনো রান না করেই স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তর হাতে ধরা পড়েন। মাদানধে ফেরেন ২ রান করে।
এক প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ইনোসেন্ট কাইয়া। তবে ৩৯ বলে ২৬ রান করে তিনিও নাহিদের শিকার হন। তখন ৭০ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে বড় বিপদে পড়ে জিম্বাবুয়ে।
এরপর নবম উইকেটে রিচার্ড এনগারাভা ও নিউম্যান নিয়ামুরি ৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে কিছুটা এগিয়ে নেন। তবে ২৭ রান করা এনগারাভাকে বোল্ড করে সেই জুটিও ভাঙেন নাহিদ রানা। সেটিই ছিল ইনিংসে তার ষষ্ঠ উইকেট।
এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করলেন নাহিদ রানা। ১৩ ম্যাচের ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় পাঁচ বা তার বেশি উইকেট শিকার। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট নেওয়ার তালিকায় এখন তার ওপরে রয়েছেন শুধু মোস্তাফিজুর রহমান।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
