পুতিনকে ট্রাম্পের সহায়তার প্রস্তাব, জেলেনস্কির সঙ্গেও আলোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শনিবার টেলিফোনে প্রায় ৯০ মিনিট কথা বলেছেন। এ সময় ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে দ্রুত একটা সমাধান খুঁজে বের করতে সহায়তা করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
ক্রেমলিনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ রোববার (৫ জুলাই) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফোনালাপটি বেশ গঠনমূলক হয়েছে। ট্রাম্প আবারও যুদ্ধ শেষ করতে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। পুতিন রাশিয়ার মৌলিক অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলেছেন, তারা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথে সংকটের সমাধান চায়।
উশাকভ অভিযোগ করে বলেন, ইউক্রেন ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা ইচ্ছে করে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে এবং আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, ইউক্রেন বেসামরিক এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে এবং রাশিয়ার তেলশিল্পসহ বিভিন্ন স্থাপনায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করছে, যার ফলে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
পুতিন ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে এবং একের পর এক এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা শুক্রবার দাবি করেছেন, পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্তিয়ানতিনিভকা তারা দখল করেছে। তবে ইউক্রেন এ দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তর ও জেনারেল স্টাফ বলছে, শহরটি এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেও ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে বলে জানিয়েছেন। টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ফোনালাপটি খুবই ভালো হয়েছে। দুই নেতা যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। জেলেনস্কি বলেন, এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে এ বিষয় নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।
ট্রাম্প পুতিনকে জানিয়েছেন, তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইউক্রেন সংকট নিয়ে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাবেন। প্রয়োজনে তারা আবার মস্কো সফরেও যেতে পারেন।
রাশিয়া আগে থেকেই বলে আসছে, যেকোনো শান্তি চুক্তির জন্য পুরো দনবাস অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে দিতে হবে, যা ইউক্রেন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আগামী ন্যাটো সম্মেলনের আগে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনার দরজা খুলে দিল কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: রয়টার্স
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
ক্রেমলিনের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ রোববার (৫ জুলাই) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফোনালাপটি বেশ গঠনমূলক হয়েছে। ট্রাম্প আবারও যুদ্ধ শেষ করতে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। পুতিন রাশিয়ার মৌলিক অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলেছেন, তারা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পথে সংকটের সমাধান চায়।
উশাকভ অভিযোগ করে বলেন, ইউক্রেন ও তার ইউরোপীয় মিত্ররা ইচ্ছে করে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করছে এবং আরও বাড়িয়ে তোলার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, ইউক্রেন বেসামরিক এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা চালাচ্ছে এবং রাশিয়ার তেলশিল্পসহ বিভিন্ন স্থাপনায় দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করছে, যার ফলে দেশের কয়েকটি অঞ্চলে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।
পুতিন ট্রাম্পকে জানিয়েছেন, রুশ বাহিনী যুদ্ধক্ষেত্রে ক্রমাগত এগিয়ে চলেছে এবং একের পর এক এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে। রাশিয়ার সামরিক কর্মকর্তারা শুক্রবার দাবি করেছেন, পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ শহর কস্তিয়ানতিনিভকা তারা দখল করেছে। তবে ইউক্রেন এ দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির প্রেসিডেন্টের দপ্তর ও জেনারেল স্টাফ বলছে, শহরটি এখনো তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নিজেও ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে বলে জানিয়েছেন। টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ফোনালাপটি খুবই ভালো হয়েছে। দুই নেতা যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। জেলেনস্কি বলেন, এই যুদ্ধের অবসান ঘটানোর বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে। এখানে যুক্তরাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে তুরস্কে অনুষ্ঠিতব্য ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে এ বিষয় নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।
ট্রাম্প পুতিনকে জানিয়েছেন, তার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার ইউক্রেন সংকট নিয়ে মধ্যস্থতা চালিয়ে যাবেন। প্রয়োজনে তারা আবার মস্কো সফরেও যেতে পারেন।
রাশিয়া আগে থেকেই বলে আসছে, যেকোনো শান্তি চুক্তির জন্য পুরো দনবাস অঞ্চল তাদের নিয়ন্ত্রণে দিতে হবে, যা ইউক্রেন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
আগামী ন্যাটো সম্মেলনের আগে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপ যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনার দরজা খুলে দিল কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
সূত্র: রয়টার্স
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
