চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি শিবা সানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬-২৮ মেয়াদের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জয় চৌধুরী। সভাপতি পদে শিবা সানু পেয়েছেন ২৪৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইটার ও প্রযোজক আরমান পান ১৪৩ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে জয় চৌধুরী ২৩৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।
শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করে। কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষরিত ফলাফলের বিবরণীতে জানানো হয়, মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪১৬টি ব্যালট বৈধ এবং ৬৪টি ব্যালট বাতিল হয়েছে।
সহ-সভাপতির দুটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ডি এ তায়েব ও ইলিয়াস কোবরা। ডি এ তায়েব ২৬০ ভোট এবং ইলিয়াস কোবরা ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেত্রী রোজিনা পেয়েছেন ১৫২ ভোট এবং নূতন পেয়েছেন ২০৪ ভোট।
সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ২৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন সুব্রত। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিনা খান পেয়েছেন ১৫০ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান ২৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী চুন্ন পেয়েছেন ১৮৩ ভোট। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর ২৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী পলি পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।
দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে ২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জ্যাকি আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রাসেল মিয়া পেয়েছেন ১৯৫ ভোট। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন মারুফ আকিব। এ পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ইউসুফ খান পেয়েছেন ৭২ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে ২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন কামরুজ্জামান কমল। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাদু আজাদ পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।
কার্যকরী পরিষদের ১১টি সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন চিত্রনায়ক কায়েস আরজু, আলীবরাজ, নাসরিন, জেসমিন আক্তার, সুশান্ত, শিপন মিত্র, শামীম খান (চিকন আলী), রাকা, শিরিন শিলা, কাবিলা ও ফরহাদ। তাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২৪ ভোট পেয়ে প্রথম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কায়েস আরজু।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এফডিসিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার বিরতি ছিল। নির্বাচনকে ঘিরে গত এক মাস ধরে চলচ্চিত্রশিল্পীদের উপস্থিতিতে সরগরম ছিল এফডিসি প্রাঙ্গণ। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা, সমর্থকদের আনাগোনা এবং নির্বাচনী ব্যস্ততায় পুরো এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই হয়েছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। একটি প্যানেলে নেতৃত্ব দিয়েছেন আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে ছিলেন শিবা সানু ও জয় চৌধুরী।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু। তাঁর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু ও বি এইচ নিশা। নির্বাচন-পরবর্তী যেকোনো জটিলতা নিষ্পত্তির জন্য আপিল বোর্ডে দায়িত্ব পালন করছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ছটকু আহমেদ, কাজী হায়াৎ ও বাদল খন্দকার।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এফডিসিজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শনিবার (৪ জুলাই) ভোরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করে। কমিটির সদস্যদের স্বাক্ষরিত ফলাফলের বিবরণীতে জানানো হয়, মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ৪১৬টি ব্যালট বৈধ এবং ৬৪টি ব্যালট বাতিল হয়েছে।
সহ-সভাপতির দুটি পদে নির্বাচিত হয়েছেন ডি এ তায়েব ও ইলিয়াস কোবরা। ডি এ তায়েব ২৬০ ভোট এবং ইলিয়াস কোবরা ২১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁদের প্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেত্রী রোজিনা পেয়েছেন ১৫২ ভোট এবং নূতন পেয়েছেন ২০৪ ভোট।
সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে ২৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন সুব্রত। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রিনা খান পেয়েছেন ১৫০ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সনি রহমান ২৬৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী চুন্ন পেয়েছেন ১৮৩ ভোট। আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে এম এ পারভেজ চৌধুরী আবীর ২৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী পলি পেয়েছেন ১৪৪ ভোট।
দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে ২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জ্যাকি আলমগীর। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রাসেল মিয়া পেয়েছেন ১৯৫ ভোট। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে ২২৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন মারুফ আকিব। এ পদে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ইউসুফ খান পেয়েছেন ৭২ ভোট।
কোষাধ্যক্ষ পদে ২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন কামরুজ্জামান কমল। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাদু আজাদ পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।
কার্যকরী পরিষদের ১১টি সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন চিত্রনায়ক কায়েস আরজু, আলীবরাজ, নাসরিন, জেসমিন আক্তার, সুশান্ত, শিপন মিত্র, শামীম খান (চিকন আলী), রাকা, শিরিন শিলা, কাবিলা ও ফরহাদ। তাঁদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২৪ ভোট পেয়ে প্রথম সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কায়েস আরজু।
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এফডিসিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত এক ঘণ্টার বিরতি ছিল। নির্বাচনকে ঘিরে গত এক মাস ধরে চলচ্চিত্রশিল্পীদের উপস্থিতিতে সরগরম ছিল এফডিসি প্রাঙ্গণ। প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা, সমর্থকদের আনাগোনা এবং নির্বাচনী ব্যস্ততায় পুরো এলাকায় ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ।
এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই হয়েছে দুটি প্যানেলের মধ্যে। একটি প্যানেলে নেতৃত্ব দিয়েছেন আরমান ও রুমানা ইসলাম মুক্তি। অন্য প্যানেলে ছিলেন শিবা সানু ও জয় চৌধুরী।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু। তাঁর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কামাল মো. কিবরিয়া লিপু ও বি এইচ নিশা। নির্বাচন-পরবর্তী যেকোনো জটিলতা নিষ্পত্তির জন্য আপিল বোর্ডে দায়িত্ব পালন করছেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ছটকু আহমেদ, কাজী হায়াৎ ও বাদল খন্দকার।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এফডিসিজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি র্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
