ইরানের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনির অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কম। নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি প্রকাশ্যে আসবেন না বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধি আয়াতুল্লাহ হাকিম এলাহী।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকিম এলাহী বলেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ মোজতবা খামেনির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। তাই তাকে প্রকাশ্যে না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ভারত থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
হাকিম এলাহী বলেন, সম্প্রতি ইরানে অবস্থানকালে তিনি মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজতবা প্রকাশ্যে এসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে এবং জানাজায় অংশ নিতে আগ্রহী ছিলেন। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই আমার মনে হয়, তিনি প্রকাশ্যে আসবেন না।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আলী খামেনি পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ নিহত হন। ওই হামলায় মোজতবা খামেনিও আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এরপর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। তবে বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে তার নামে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উপস্থাপকরা পাঠ করেছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাকিম এলাহী বলেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ মোজতবা খামেনির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছে না। তাই তাকে প্রকাশ্যে না আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ভারত থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই সাক্ষাৎকার দেন তিনি।
হাকিম এলাহী বলেন, সম্প্রতি ইরানে অবস্থানকালে তিনি মোজতবা খামেনির ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, মোজতবা প্রকাশ্যে এসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা করতে এবং জানাজায় অংশ নিতে আগ্রহী ছিলেন। তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই আমার মনে হয়, তিনি প্রকাশ্যে আসবেন না।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আলী খামেনি পরিবারের কয়েকজন সদস্যসহ নিহত হন। ওই হামলায় মোজতবা খামেনিও আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এরপর থেকে তিনি জনসমক্ষে আসেননি। তবে বিভিন্ন সময়ে যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে তার নামে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের উপস্থাপকরা পাঠ করেছেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
