জাতীয় কবি এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম এই ভূখণ্ডে না হলেও তার হৃদয়ের বিশাল অংশ জুড়ে ছিল বাংলাদেশ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জাতীয় কবির সৃষ্টিকে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রধান দিশারি ছিলেন নজরুল। দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নজরুল প্রাসঙ্গিক।’
নানা আয়োজনের মাধ্যমে এটিকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে জেলা-উপজেলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বছরজুড়ে সফলভাবে পালন করা জরুরি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় অপশক্তি বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালালেও ঐক্যবদ্ধ থাকাই চিরায়ত বাঙালির চরিত্র-এ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু মানুষের নিরাপত্তাই নয়, কোনো প্রাণীও যেন হিংস্রতার শিকার না হয়, সরকার সেটি নিশ্চিত করতে চায়। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’
তারেক রহমান বলেন, ‘প্রতিটি রাষ্ট্র এবং সমাজে এমন কিছু ক্ষণজন্মা মানুষ জন্ম নেন, যারা আমাদের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক জীবন কিংবা আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ, সামাজিক দর্শন ও আমাদের মনোজগতে প্রবলভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। কবি নজরুল তেমনই একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব। কৈশোর থেকে পরিণত বয়স, আমাদের জীবনের সকল পর্যায়েই তার প্রভাব অপরিসীম।’
তারেক রহমান বলেন, ‘বিদ্রোহী কবি, প্রেমের কবি, বিরহের কবি, তারুণ্যের কবি, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের কবি, কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় সাহিত্য সাংস্কৃতিক ইতিহাসের অবিস্মরণীয় নাম। পরাধীন, পর্যুদস্ত, পরাভূত জাতির ভাগ্যাকাশে তাঁর আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো। অন্যায়, শোষণ, বৈষম্য ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কবির কলম ছিল শানিত অস্ত্র। প্রেম, প্রকৃতি থেকে শুরু করে ইসলামী মূল্যবোধ কিংবা শ্যামা সংগীত প্রতিটি ক্ষেত্রেই নজরুল আমাদের শুদ্ধ প্রকাশের নামান্তর।’
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি জাতীয় কবির সৃষ্টিকে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রধান দিশারি ছিলেন নজরুল। দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টি প্রধান প্রতিপাদ্য। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নজরুল প্রাসঙ্গিক।’
নানা আয়োজনের মাধ্যমে এটিকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে জেলা-উপজেলা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে বছরজুড়ে সফলভাবে পালন করা জরুরি বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় অপশক্তি বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা চালালেও ঐক্যবদ্ধ থাকাই চিরায়ত বাঙালির চরিত্র-এ কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু মানুষের নিরাপত্তাই নয়, কোনো প্রাণীও যেন হিংস্রতার শিকার না হয়, সরকার সেটি নিশ্চিত করতে চায়। এ ক্ষেত্রে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’
তারেক রহমান বলেন, ‘প্রতিটি রাষ্ট্র এবং সমাজে এমন কিছু ক্ষণজন্মা মানুষ জন্ম নেন, যারা আমাদের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক জীবন কিংবা আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ, সামাজিক দর্শন ও আমাদের মনোজগতে প্রবলভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। কবি নজরুল তেমনই একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব। কৈশোর থেকে পরিণত বয়স, আমাদের জীবনের সকল পর্যায়েই তার প্রভাব অপরিসীম।’
তারেক রহমান বলেন, ‘বিদ্রোহী কবি, প্রেমের কবি, বিরহের কবি, তারুণ্যের কবি, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের কবি, কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় সাহিত্য সাংস্কৃতিক ইতিহাসের অবিস্মরণীয় নাম। পরাধীন, পর্যুদস্ত, পরাভূত জাতির ভাগ্যাকাশে তাঁর আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো। অন্যায়, শোষণ, বৈষম্য ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে কবির কলম ছিল শানিত অস্ত্র। প্রেম, প্রকৃতি থেকে শুরু করে ইসলামী মূল্যবোধ কিংবা শ্যামা সংগীত প্রতিটি ক্ষেত্রেই নজরুল আমাদের শুদ্ধ প্রকাশের নামান্তর।’
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
