বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রতিহত করবে চীন
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশি হস্তক্ষেপ হলে, তা প্রতিহত করতে সাহায্য করবে চীন। ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ কথা বলেছেন। তিনি জানান, দক্ষিণ এশিয়ায়, পাকিস্তানের পর বাংলাদেশের সঙ্গেই সর্বোচ্চ কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করল চীন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) সকালে ঢাকা দূতাবাসে সংবাদ সম্মেলন করেন দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বেইজিং থেকে ফিরে এসে এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরে, চীন বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্পর্ক স্থাপন হয়েছে। পুরো বিশ্বে চীনের এরকম সম্পর্ক আছে ২০টির মতো দেশের সঙ্গে। দক্ষিণ এশিয়ায় এই পর্যায়ের মিত্র এতদিন ছিল শুধু পাকিস্তান। এবার সেটি হল বাংলাদেশের সঙ্গেও।
কূটনীতি এবং প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংলাপের যে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে এসেছে, সেটিও খুব কম দেশের সঙ্গেই চীনের আছে। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ যুক্ত হলো।
চীনের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনেশিয়েটিভেও এবার যুক্তি হয়েছে বাংলাদেশ। যা বিশ্বের ১৯০টির মতো দেশের একটি জোটে পরিণত হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, মিয়ানমার হয়ে যে করিডোর প্রস্তাব, এটি নতুন নয়। অনেক আগেই এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমনকি এরকম করিডোরে ভারত যুক্ত হলেও চীনের আপত্তি নেই বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
করিডোরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-মিয়ানমার অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার চীনের লক্ষ্য নয় বলে স্পষ্ট জানান চীনা দূত। বলেন, কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চীন হস্তক্ষে করে না। বন্ধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কেউ করলে, সেটি প্রতিহত করতে সাহায্য করা হবে বলেও জানান চীনা দূত।
এদিকে, তিস্তা প্রকল্পে ভারত বিরোধিতা করলে, সেটি বাংলাদেশের বিষয় বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বলেন, তারা বাংলাদেশের আমন্ত্রণেই এই প্রকল্পে যুক্তে হতে রাজি হয়েছেন।
এদিকে, গত ৩ বছরে ৩ জন বাংলাদেশি সরকার প্রধানের বেইজিং ভ্রমণের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে সব দলের সঙ্গেই তাদের ভালো সম্পর্ক।
রিপোর্ট : অ/মা. হা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) সকালে ঢাকা দূতাবাসে সংবাদ সম্মেলন করেন দেশটির রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।
বেইজিং থেকে ফিরে এসে এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরে, চীন বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের সম্পর্ক স্থাপন হয়েছে। পুরো বিশ্বে চীনের এরকম সম্পর্ক আছে ২০টির মতো দেশের সঙ্গে। দক্ষিণ এশিয়ায় এই পর্যায়ের মিত্র এতদিন ছিল শুধু পাকিস্তান। এবার সেটি হল বাংলাদেশের সঙ্গেও।
কূটনীতি এবং প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংলাপের যে ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে এসেছে, সেটিও খুব কম দেশের সঙ্গেই চীনের আছে। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় পাকিস্তানের পর বাংলাদেশ যুক্ত হলো।
চীনের গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনেশিয়েটিভেও এবার যুক্তি হয়েছে বাংলাদেশ। যা বিশ্বের ১৯০টির মতো দেশের একটি জোটে পরিণত হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত জানান, মিয়ানমার হয়ে যে করিডোর প্রস্তাব, এটি নতুন নয়। অনেক আগেই এ বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমনকি এরকম করিডোরে ভারত যুক্ত হলেও চীনের আপত্তি নেই বলে জানান রাষ্ট্রদূত।
করিডোরের মাধ্যমে বাংলাদেশ-মিয়ানমার অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার চীনের লক্ষ্য নয় বলে স্পষ্ট জানান চীনা দূত। বলেন, কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে চীন হস্তক্ষে করে না। বন্ধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কেউ করলে, সেটি প্রতিহত করতে সাহায্য করা হবে বলেও জানান চীনা দূত।
এদিকে, তিস্তা প্রকল্পে ভারত বিরোধিতা করলে, সেটি বাংলাদেশের বিষয় বলে উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বলেন, তারা বাংলাদেশের আমন্ত্রণেই এই প্রকল্পে যুক্তে হতে রাজি হয়েছেন।
এদিকে, গত ৩ বছরে ৩ জন বাংলাদেশি সরকার প্রধানের বেইজিং ভ্রমণের প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশে সব দলের সঙ্গেই তাদের ভালো সম্পর্ক।
রিপোর্ট : অ/মা. হা
