দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরোক্ষ বৈঠক শেষ, ইতিবাচক অগ্রগতি দাবি কাতারের
কাতারের রাজধানী দোহায় বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার পরোক্ষ কারিগরি আলোচনা শেষ হয়েছে। গত ১৭ জুন স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক সংক্রান্ত ইস্যুতে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সুইজারল্যান্ড শীর্ষ সম্মেলনের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই এ আলোচনা এগিয়ে চলেছে। বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান ইস্যুতে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে বলে দাবি করছে কাতার।
বুধবার দোহায় কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। আলোচনা মূলত কারিগরি বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। দুই সপ্তাহ আগে ঘোষিত অন্তর্বর্তী চুক্তিতে যেসব বিষয়ের সমাধান হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল, এবার সেই বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্ব পায়। দুই দেশের প্রতিনিধিরা মূলত প্রাথমিক চুক্তির দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ও ইরানের আটকে থাকা তহবিল ছাড় করানো নিয়ে আলোচনা করেছেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা আলাদা বৈঠক করেছেন। গত জুনে যে সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ হয়েছিল, দোহা আলোচনায় সেই বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। ৯ জুলাই ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের পর পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
পরমাণু ইস্যু নিয়ে ওয়াশিংটন চিন্তিত জানিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, পরমাণু ইস্যুটি পরে বিবেচনা করা হবে। দোহায় বৈঠকে অংশ নেননি ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও শীর্ষ মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে দুই পক্ষই এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও এবারের আলোচনায় পরমাণু কর্মসূচির বিষয়টি ওঠেইনি। তবে ট্রাম্পের মন্তব্যে পুনরায় সর্বাত্মক যুদ্ধ বেধে যাওয়ার শঙ্কা কিছুটা কমেছে। এছাড়া, বিশ্ব বাজারে তেলের দাম গত চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতা ও উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, আলোচনা শেষ হয়েছে। তবে, দুই পক্ষের মতবিরোধ দূর হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে কেউ কিছু জানাননি।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা-আইএইএ কর্মকর্তাদের পরিদর্শনবিষয়ক প্রতিবেদনকে অসত্য বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিন বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলায় বিধ্বস্ত পরমাণু কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করার অধিকার আইএইএ'র পরিদর্শকদের নেই।
রিপোর্ট : আ. সা/মা. হা
বুধবার দোহায় কাতারের মধ্যস্থতায় আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা। আলোচনা মূলত কারিগরি বিষয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। দুই সপ্তাহ আগে ঘোষিত অন্তর্বর্তী চুক্তিতে যেসব বিষয়ের সমাধান হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল, এবার সেই বিষয়গুলোই বেশি গুরুত্ব পায়। দুই দেশের প্রতিনিধিরা মূলত প্রাথমিক চুক্তির দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়- হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ও ইরানের আটকে থাকা তহবিল ছাড় করানো নিয়ে আলোচনা করেছেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিরা আলাদা বৈঠক করেছেন। গত জুনে যে সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধ হয়েছিল, দোহা আলোচনায় সেই বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। ৯ জুলাই ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের পর পরবর্তী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
পরমাণু ইস্যু নিয়ে ওয়াশিংটন চিন্তিত জানিয়ে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, পরমাণু ইস্যুটি পরে বিবেচনা করা হবে। দোহায় বৈঠকে অংশ নেননি ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও শীর্ষ মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে দুই পক্ষই এগিয়ে যাচ্ছে। যদিও এবারের আলোচনায় পরমাণু কর্মসূচির বিষয়টি ওঠেইনি। তবে ট্রাম্পের মন্তব্যে পুনরায় সর্বাত্মক যুদ্ধ বেধে যাওয়ার শঙ্কা কিছুটা কমেছে। এছাড়া, বিশ্ব বাজারে তেলের দাম গত চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে।
ইরানের প্রতিনিধিদলের নেতা ও উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি জানিয়েছেন, আলোচনা শেষ হয়েছে। তবে, দুই পক্ষের মতবিরোধ দূর হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে কেউ কিছু জানাননি।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা-আইএইএ কর্মকর্তাদের পরিদর্শনবিষয়ক প্রতিবেদনকে অসত্য বলে দাবি করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিন বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বোমা হামলায় বিধ্বস্ত পরমাণু কেন্দ্রগুলো পরিদর্শন করার অধিকার আইএইএ'র পরিদর্শকদের নেই।
রিপোর্ট : আ. সা/মা. হা
