সাবেক নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও তার স্ত্রী সৈয়দা রোকেয়া বেগমের আয়কর রিটার্ন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।
সোমবার (২৯ জুন) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
শাজাহান খানের বিষয়ে দুদকের আবেদনে বলা হয়, তিনি পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে ও অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এছাড়া তার নামে থাকা ৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৮৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকার লেনদেনের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, শাজাহান খান একজন আয়করদাতা। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ৩০৯(৩)(ক) ধারা অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহের জন্য আদালতের আদেশ প্রয়োজন। তাই তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ এবং পর্যালোচনার জন্য সত্যায়িত অনুলিপি সরবরাহের নির্দেশনা প্রয়োজন।
অন্যদিকে সৈয়দা রোকেয়া বেগমের বিষয়ে আবেদনে বলা হয়, তিনি ও তার স্বামী শাজাহান খান পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এ অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সৈয়দা রোকেয়া বেগমও একজন আয়করদাতা। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ৩০৯(৩)(ক) ধারা অনুযায়ী তার আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহেও আদালতের আদেশ প্রয়োজন। তাই তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ এবং পর্যালোচনার জন্য সত্যায়িত অনুলিপি সরবরাহের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
আদালত দুদকের আবেদন গ্রহণ করে শাজাহান খান ও সৈয়দা রোকেয়া বেগমের আয়কর রিটার্ন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জব্দের আদেশ দেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (২৯ জুন) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পৃথক দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন।
শাজাহান খানের বিষয়ে দুদকের আবেদনে বলা হয়, তিনি পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অসৎ উদ্দেশ্যে ও অসাধু উপায়ে জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ১১ কোটি ৩৬ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিকানা অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এছাড়া তার নামে থাকা ৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৮৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকার লেনদেনের মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, শাজাহান খান একজন আয়করদাতা। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ৩০৯(৩)(ক) ধারা অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহের জন্য আদালতের আদেশ প্রয়োজন। তাই তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ এবং পর্যালোচনার জন্য সত্যায়িত অনুলিপি সরবরাহের নির্দেশনা প্রয়োজন।
অন্যদিকে সৈয়দা রোকেয়া বেগমের বিষয়ে আবেদনে বলা হয়, তিনি ও তার স্বামী শাজাহান খান পরস্পরের যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন। এ অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুদকের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সৈয়দা রোকেয়া বেগমও একজন আয়করদাতা। আয়কর আইন, ২০২৩-এর ৩০৯(৩)(ক) ধারা অনুযায়ী তার আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহেও আদালতের আদেশ প্রয়োজন। তাই তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর রিটার্ন ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্রের মূলকপি জব্দ এবং পর্যালোচনার জন্য সত্যায়িত অনুলিপি সরবরাহের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
আদালত দুদকের আবেদন গ্রহণ করে শাজাহান খান ও সৈয়দা রোকেয়া বেগমের আয়কর রিটার্ন এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র জব্দের আদেশ দেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
