পাকিস্তানের বন্দরনগরী করাচিতে রেঞ্জার্স ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলায় তিন রেঞ্জার্স সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যায় বিস্ফোরণ ও তীব্র গোলাগুলির এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
রোববার (২৮ জুন) পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, করাচির একটি রেঞ্জার্স ক্যাম্পে চালানো এ ‘কাপুরুষোচিত’ হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠী জামাত-উল-আহরার দায়ী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্যাম্পের প্রধান ফটকে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলাকারীরা নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে রেঞ্জার্স সদস্যদের সতর্ক ও দৃঢ় প্রতিরোধে তাদের সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে তিন হামলাকারী নিহত এবং একজন আহত হয়।
সেনাবাহিনী জানায়, হামলায় তিন রেঞ্জার্স সদস্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি আরও চারজন আহত হয়েছেন।
জামাত-উল-আহরারকে প্রায়ই তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি জঙ্গিগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে জঙ্গি হামলার সংখ্যা বেড়েছে। এসব হামলার অনেকগুলোর দায় স্বীকার করেছে টিটিপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো।
২০২১ সালে আফগান তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে আফগানিস্তান জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে ইসলামাবাদ। তবে কাবুল সরকার বারবার সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিদেশি পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের হুমকি নির্মূলে দেশজুড়ে পূর্ণ গতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়ারও অঙ্গীকার করা হয়েছে।
শনিবার রাতে করাচিতে অবস্থানরত এএফপির সাংবাদিকরা ভারী গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন। ঘটনার পর সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী করাচির মোসামিয়াত চৌরঙ্গি এলাকার আশপাশের সড়ক ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।
এ সময় গোলাবারুদে সজ্জিত আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন সড়কে টহল দিতে দেখা যায়। তাদের কেউ কেউ পিকআপ ট্রাকে করেও টহল পরিচালনা করেন।
ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তলব করেছেন সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলী শাহ।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি আহত সদস্যদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
রোববার (২৮ জুন) পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়, করাচির একটি রেঞ্জার্স ক্যাম্পে চালানো এ ‘কাপুরুষোচিত’ হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠী জামাত-উল-আহরার দায়ী।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্যাম্পের প্রধান ফটকে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলাকারীরা নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। তবে রেঞ্জার্স সদস্যদের সতর্ক ও দৃঢ় প্রতিরোধে তাদের সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে তিন হামলাকারী নিহত এবং একজন আহত হয়।
সেনাবাহিনী জানায়, হামলায় তিন রেঞ্জার্স সদস্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি আরও চারজন আহত হয়েছেন।
জামাত-উল-আহরারকে প্রায়ই তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি জঙ্গিগোষ্ঠী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পাকিস্তানে জঙ্গি হামলার সংখ্যা বেড়েছে। এসব হামলার অনেকগুলোর দায় স্বীকার করেছে টিটিপি ও তাদের সহযোগী সংগঠনগুলো।
২০২১ সালে আফগান তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে আফগানিস্তান জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছে ইসলামাবাদ। তবে কাবুল সরকার বারবার সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনী তাদের বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিদেশি পৃষ্ঠপোষকতা ও সমর্থনপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের হুমকি নির্মূলে দেশজুড়ে পূর্ণ গতিতে অভিযান অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে হামলার উপযুক্ত জবাব দেওয়ারও অঙ্গীকার করা হয়েছে।
শনিবার রাতে করাচিতে অবস্থানরত এএফপির সাংবাদিকরা ভারী গোলাগুলির শব্দ শুনেছেন। ঘটনার পর সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী করাচির মোসামিয়াত চৌরঙ্গি এলাকার আশপাশের সড়ক ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।
এ সময় গোলাবারুদে সজ্জিত আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন সড়কে টহল দিতে দেখা যায়। তাদের কেউ কেউ পিকআপ ট্রাকে করেও টহল পরিচালনা করেন।
ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন তলব করেছেন সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলী শাহ।
এদিকে, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি আহত সদস্যদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
