স্পেনের কাছে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে। একমাত্র গোলটি করেন অ্যালেক্স বায়েনা। তার তুলনামূলক দুর্বল শট আটকে দিতে ব্যর্থ হন উরুগুয়ের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। সেই ভুলই শেষ পর্যন্ত স্পেনের জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে স্পেন। ফলে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়া এড়িয়েছে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নরা। আগামী বৃহস্পতিবার লস অ্যাঞ্জেলসে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রিয়া অথবা আলজেরিয়া।
অন্যদিকে উরুগুয়ের পরাজয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দে গ্রুপ এইচ-এর রানার্সআপ হিসেবে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। বিদায় নেওয়া দলগুলোর মধ্যে উরুগুয়ের ফিফা র্যাঙ্কিংই ছিল সবচেয়ে উঁচুতে।
ইনজুরি কাটিয়ে লামিন ইয়ামালের ফেরার ম্যাচে সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে হারিয়েছিল স্পেন। ওই ম্যাচে আক্রমণভাগে নতুন গতি এনেছিলেন তরুণ এই উইঙ্গার। তবে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা স্পেন এবারও উরুগুয়ের বিপক্ষে আক্রমণে খুব একটা ধার দেখাতে পারেনি। ফলে নকআউট পর্ব শুরুর আগে কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তেকে কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।
২০১০ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের সেমিফাইনালে ওঠার অন্যতম নায়ক ফার্নান্দো মুসলেরা কেপ ভার্দের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচেও দুই গোলেই ভুল করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পেনের বিপক্ষেও তার ভুলে দলকে মূল্য দিতে হয়েছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে স্পেন তেমন কোনো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। তবে ৪২তম মিনিটে মার্কোস লোরেন্তের ক্রস থেকে অ্যালেক্স বায়েনার নেওয়া শট ৪০ বছর বয়সী মুসলেরার হাত ফসকে ধীরে ধীরে জালে জড়িয়ে যায়।
বিরতির পর মুসলেরার পরিবর্তে গোলপোস্টে নামানো হয় সার্জিও রোশেকে। এরপর এক ঘণ্টা পার হতেই ফেডে ভালভার্দেকে তুলে নিয়ে আরও আক্রমণাত্মক কৌশল নেন উরুগুয়ে কোচ মার্সেলো বিয়েলসা।
অন্যদিকে স্পেন কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তেও বেঞ্চের শক্তি কাজে লাগান। বদলি হিসেবে ডানি ওলমো ও ফাবিয়ান রুইজ মাঠে নামার পর স্পেনের আক্রমণে কিছুটা গতি ফিরে আসে।
সহজ একটি সুযোগ নষ্ট করেন লামিন ইয়ামাল। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ক্লাব মৌসুম আগেভাগেই শেষ হওয়ায় তার খেলার সময় সতর্কতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তাই ম্যাচ শেষের ১৫ মিনিট আগে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়।
ইয়ামালের বদলি ফেরান তোরেস ম্যাচ শেষের পাঁচ মিনিট আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত স্পেন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে টানা ৩৪ ম্যাচ ধরে অপরাজিত রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপেও এখন পর্যন্ত তারা কোনো গোল হজম করেনি।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
এই জয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে স্পেন। ফলে নকআউট পর্বে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়া এড়িয়েছে ইউরোপীয়ান চ্যাম্পিয়নরা। আগামী বৃহস্পতিবার লস অ্যাঞ্জেলসে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে অস্ট্রিয়া অথবা আলজেরিয়া।
অন্যদিকে উরুগুয়ের পরাজয়ে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া কেপ ভার্দে গ্রুপ এইচ-এর রানার্সআপ হিসেবে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। বিদায় নেওয়া দলগুলোর মধ্যে উরুগুয়ের ফিফা র্যাঙ্কিংই ছিল সবচেয়ে উঁচুতে।
ইনজুরি কাটিয়ে লামিন ইয়ামালের ফেরার ম্যাচে সৌদি আরবকে ৪-০ গোলে হারিয়েছিল স্পেন। ওই ম্যাচে আক্রমণভাগে নতুন গতি এনেছিলেন তরুণ এই উইঙ্গার। তবে কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা স্পেন এবারও উরুগুয়ের বিপক্ষে আক্রমণে খুব একটা ধার দেখাতে পারেনি। ফলে নকআউট পর্ব শুরুর আগে কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তেকে কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।
২০১০ বিশ্বকাপে উরুগুয়ের সেমিফাইনালে ওঠার অন্যতম নায়ক ফার্নান্দো মুসলেরা কেপ ভার্দের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচেও দুই গোলেই ভুল করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পেনের বিপক্ষেও তার ভুলে দলকে মূল্য দিতে হয়েছে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে স্পেন তেমন কোনো পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। তবে ৪২তম মিনিটে মার্কোস লোরেন্তের ক্রস থেকে অ্যালেক্স বায়েনার নেওয়া শট ৪০ বছর বয়সী মুসলেরার হাত ফসকে ধীরে ধীরে জালে জড়িয়ে যায়।
বিরতির পর মুসলেরার পরিবর্তে গোলপোস্টে নামানো হয় সার্জিও রোশেকে। এরপর এক ঘণ্টা পার হতেই ফেডে ভালভার্দেকে তুলে নিয়ে আরও আক্রমণাত্মক কৌশল নেন উরুগুয়ে কোচ মার্সেলো বিয়েলসা।
অন্যদিকে স্পেন কোচ লুইস ডি লা ফুয়েন্তেও বেঞ্চের শক্তি কাজে লাগান। বদলি হিসেবে ডানি ওলমো ও ফাবিয়ান রুইজ মাঠে নামার পর স্পেনের আক্রমণে কিছুটা গতি ফিরে আসে।
সহজ একটি সুযোগ নষ্ট করেন লামিন ইয়ামাল। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে ক্লাব মৌসুম আগেভাগেই শেষ হওয়ায় তার খেলার সময় সতর্কতার সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। তাই ম্যাচ শেষের ১৫ মিনিট আগে তাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়া হয়।
ইয়ামালের বদলি ফেরান তোরেস ম্যাচ শেষের পাঁচ মিনিট আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত স্পেন প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে টানা ৩৪ ম্যাচ ধরে অপরাজিত রয়েছে। এবারের বিশ্বকাপেও এখন পর্যন্ত তারা কোনো গোল হজম করেনি।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
