বরিশালে প্রধান শিক্ষিকার ব্যাগে মিলল স্কুল ফিডিংয়ের ডিম-রুটি
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার ২নং চরাদি ইউনিয়নের ১০নং রানিরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর অভিযুক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টি বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয়রা তাকে আটক করে তার ব্যাগ তল্লাশি করে ডিম ও রুটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার নিয়মিত আত্মসাতের অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যালয় ছুটির পর প্রধান শিক্ষিকা বাড়ি ফেরার সময় কয়েকজন স্থানীয়রা তার কাছে থাকা ব্যাগ দেখতে চান। প্রথমে তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও স্থানীয়দের চাপে ব্যাগ খুলে দেখান। এ সময় ব্যাগের ভেতর থেকে ২৪টি ডিম ও ২২ পিস রুটি পাওয়া যায় বলে দাবি করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, রানির হাট ১০ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের কথা জেনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর অভিযুক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টি বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয়রা তাকে আটক করে তার ব্যাগ তল্লাশি করে ডিম ও রুটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাবার নিয়মিত আত্মসাতের অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছিল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যালয় ছুটির পর প্রধান শিক্ষিকা বাড়ি ফেরার সময় কয়েকজন স্থানীয়রা তার কাছে থাকা ব্যাগ দেখতে চান। প্রথমে তিনি অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও স্থানীয়দের চাপে ব্যাগ খুলে দেখান। এ সময় ব্যাগের ভেতর থেকে ২৪টি ডিম ও ২২ পিস রুটি পাওয়া যায় বলে দাবি করেন উপস্থিত ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা রেশমা আক্তার মিষ্টির মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রুহুল আমিন বলেন, রানির হাট ১০ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার আত্মসাতের কথা জেনেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
