ATN
শিরোনাম
  •  

ছুটি গ্রুপের ভিশন ২০৩০: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প ও হসপিটালিটি খাতে ছুটির পরিকল্পনা

         
ছুটি গ্রুপের ভিশন ২০৩০: বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প ও হসপিটালিটি খাতে ছুটির পরিকল্পনা

বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প ও হসপিটালিটি খাতে ছুটির পরিকল্পনা

যান্ত্রিক নগরজীবনের ক্লান্তি থেকে মানুষকে প্রকৃতির সান্নিধ্যে স্বস্তি ও আনন্দময় সময় উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১২ সালে শুরু হয় ছুটির সপ্নযাত্রা । কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “ছুটি” কবিতার দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে শুরু হয় এই উদ্যোগ। ছুটি আজ বাংলাদেশের অন্যতম আস্থার ঠিকানা। যা এখন সুপরিচিত ব্র্যান্ড।

ছুটি রিসোর্ট, গাজীপুরের সুকুন্দী থেকে যাত্রা শুরু করে গত ১৪ বছরে দেশের বিভিন্ন পর্যটনবান্ধব স্থানে সফলভাবে বিস্তৃতি লাভ করেছে। বর্তমানে এর আওতায় রয়েছে ছুটি রিসোর্ট গাজীপুর, ছুটি রিসোর্ট পূর্বাচল, ছুটি রিসোর্ট পূবাইল এবং ছুটি ফরেস্ট ঈগল রিসোর্ট, শমশেরনগর।

১৫১ টিরও বেশি রুম ও কটেজের মাধ্যমে ছুটি রিসোর্ট এ পর্যন্ত ২২ লক্ষাধিক ভ্রমণপিপাসুকে মানসম্মত আতিথেয়তা সেবা প্রদান করেছে এবং এই সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ডে-আউট, নাইট স্টে, করপোরেট ইভেন্ট, ওয়ার্কশপ, ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি ডে আউট, ডেস্টিনেশন ওয়েডিং এবং এ জি এম, ই জি এম সহ বিভিন্ন ধরনের আয়োজনের জন্য ছুটির রিসোর্টগুলোতে সম্পূর্ণ রিজার্ভেশন সুবিধা রয়েছে। এছাড়াও অতিথিদের বিনোদনের জন্য কিডস জোন, সুইমিং পুল, বোটিং, কায়াকিং, হর্স রাইডিং, ফিশিং, সাইক্লিংসহ নানা ধরনের আকর্ষণীয় সুবিধা প্রদান করা হয়।

দেশের সুনামধন্য ২০০ টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান, যেমন ব্যাংক, এনজিও, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (INGO), ফ্যাশন ব্র্যান্ড এবং বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ছুটি গ্রুপের সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরিত রয়েছে। এসব অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ছুটি রিসোর্টের গ্রাহকরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিশেষ সুবিধা, সেবা এবং এক্সক্লুসিভ অফার গ্রহণের সুযোগ পেয়ে থাকেন।

এছাড়াও উল্লেখ্য যে, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে ছুটি গ্রুপ দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং পর্যটন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে থাকে।

করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (CSR) কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ছুটি গ্রুপ বিভিন্ন সামাজিক, পরিবেশগত ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ম্যারাথন, সচেতনতামূলক কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম এবং অন্যান্য সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি তার সামাজিক দায়বদ্ধতা পালন করে আসছে।

আস্থার ঠিকানা ছুটি। বিনোদন ও বিনিয়োগে ছুটি

গত ১৪ বছরের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় ছুটি শুধু একটি হসপিটালিটি ব্র্যান্ড নয়, বরং পর্যটনভিত্তিক বিনিয়োগের একটি বিশ্বস্ত প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। পূর্বাচল, পূবাইল, কক্সবাজার, শ্রীমঙ্গল এবং ঢাকা-খুলনা মহাসড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ছুটির সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে।

বর্তমানে নির্মানাধিন প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ছুটি হারমনি, ছুটি বিচ রিসোর্ট, সালতানাত টি রিসোর্ট ও সালতানাত হাইওয়ে ভিলেজ। এসব প্রকল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী আয়, সম্পদের মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং ছুটির বিদ্যমান রিসোর্টসমূহে অবকাশ যাপনের সুবিধা গ্রহনের সুযোগ পাচ্ছেন।

ছুটির ১৪ বছরের সপ্নযাত্রা

১৪ বছরের সফল পথচলায় ছুটি অর্জন করেছে হাজারো অতিথির আস্থা। Best Leading Resort in Dhaka Award 2025 এবং ISO 9001:2015 (QMS) Certification 2026 ছুটির সেবার মান ও প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি বহন করে।

ছুটির পরিচয়ের অন্যতম অংশ হলো এর স্বতন্ত্র বাংলা লিখনশৈলীর লোগো। এটি শুধু একটি ব্র্যান্ড পরিচয় নয়; বরং অবকাশ, আনন্দ এবং প্রকৃতির সঙ্গে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার এক আবেগের প্রতীক। এই লোগোই ছুটির মূল পরিচয় এবং দর্শনের প্রতিনিধিত্ব করে।

ছুটির পরিকল্পনা

ছুটির লক্ষ্য শুধুই রিসোর্ট নির্মাণ নয়। বরং বাংলাদেশের পর্যটনশিল্প ও হসপিটালিটি খাতে বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা তৈরি করা। পর্যটনশিল্পকে সাস্টেইনেবল শিল্পে রুপান্তরের জন্য কাজকরা। নতুন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পর্যটন অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি করতে ছুটি গ্রুপ কাজ করে যাচ্ছে।
ছবি
ভিশন ২০৩০ এর লক্ষ্য হলো প্রতিদিন হস্পিটালিটি শিল্পে ১,০০০ রুম সংযুক্ত করা। যার মাধ্যমে এই শিল্পের বিকাশ ও বিস্তার লাভ করবে। মানুষের কাছে হস্পিটালিটি সেবা সহজলভ্য হবে এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে। সেই লক্ষ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছে ছুটি গ্রুপ।

ছুটি শুধু একটি নাম নয়। এটি একটি অভিজ্ঞতা, একটি প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। আমি, আপনি আমরা সবাই এই স্বপ্নযাত্রার স্বপ্নসারথী।

রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ