লিবিয়ার বেনগাজীর গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে আটক থাকা আরও ১৭২ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে সরকার।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৫টার দিকে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে এসব বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। এ নিয়ে চলতি বছরে লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে মোট এক হাজার ৫৪৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাঁদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ফেরা ব্যক্তিদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে এদের পথ খরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সরকার জানায়, ইউরোপগামী অনিয়মিত অভিবাসনের পথে লিবিয়ায় গিয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭৫ জন, ৬ মার্চ ১৬৫ জন, ১ এপ্রিল ১৭৫ জন, ২৩ এপ্রিল ১৭৪ জন, ৭ মে ১৭৪ জন, ২০ মে ১৭০ জন, ১ জুন ১৭৪ জন এবং ২৪ জুন ১৭০ জন বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ৫টার দিকে বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে এসব বাংলাদেশি দেশে ফেরেন। এ নিয়ে চলতি বছরে লিবিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে মোট এক হাজার ৫৪৯ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।
লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় তাঁদের প্রত্যাবাসন করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে ফেরা ব্যক্তিদের অধিকাংশই মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় ও সহযোগিতায় সমুদ্রপথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের অনেকেই সেখানে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে এদের পথ খরচা, কিছু খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অস্থায়ী বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সরকার জানায়, ইউরোপগামী অনিয়মিত অভিবাসনের পথে লিবিয়ায় গিয়ে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৭৫ জন, ৬ মার্চ ১৬৫ জন, ১ এপ্রিল ১৭৫ জন, ২৩ এপ্রিল ১৭৪ জন, ৭ মে ১৭৪ জন, ২০ মে ১৭০ জন, ১ জুন ১৭৪ জন এবং ২৪ জুন ১৭০ জন বাংলাদেশিকে লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/জেড.এস
