ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সঙ্গে বিশ্বকাপের মাঠে অবশেষে মেলবন্ধন হলো নেইমারের। বর্শার ফলার মতো ধারালো দেখাচ্ছে ব্রাজিলকে। হেক্সা অভিযানের আসল শুরু তো এবারই।
মাঠে নামার আগে নেইমারের কানে কিছু একটা বললেন কার্লো আনচেলত্তি। হয়তো বললেন, মাঠে উপভোগ করো তোমার সময়। শেষবার ব্রাজিলের হয়ে নেমেছিলেন ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে। ৯৮১ দিন পর আবার নেইমারের গায়ে হলুদ জার্সি।
স্কটল্যান্ড ম্যাচের যখন ৭৬ মিনিট, ম্যাথেউস কুনিয়া উঠে গেলেন, ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নামলেন তার চতুর্থ বিশ্বকাপে।

নেইমারহীন ব্রাজিলকে প্রথম ম্যাচ থেকেই টানছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিন ম্যাচে করেছেন ৪ গোল। ব্রাজিল ইতিহাসের পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচে গোল করলেন।
এর আগে সর্বশেষ ২০০২ বিশ্বকাপে রোনালদো এবং রিভালদো গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন।
নেইমারের এবারের ফেরাটা যেন দুই প্রজন্মের মেলবন্ধন। ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোলে বিপর্যস্ত স্কটল্যান্ডের জন্য নেইমারের প্রবেশ ছিল নতুন আতঙ্ক। প্রথম ছোঁয়াতেই নেইমার দেখান তার চিরচেনা স্কিল। ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বল বাড়িয়ে দেন ভিনিকে।
ম্যাচের শেষদিকে নেইমার, পাকেতা এবং ভিনি ত্রিভুজকে ঠেকাতে স্কটিশ ডিফেন্ডাররা হিমশিম খেয়েছেন।

শেষ বাঁশির পর ভিনি জড়িয়ে ধরলেন নেইমারকে। নেইমারও বুকে টেনে নিলেন ভিনিকে। হাসিমুখে দুজনের একসঙ্গে মাঠ ছাড়ার দৃশ্যটি প্রতিপক্ষের জন্য একটি বার্তা। ভিনি ছিলেন, এলেন নেইমার। ব্রাজিলের বর্তমান ও ভবিষ্যত হাত ধরাধরি করে ছুটবেন এবার হেক্সা অভিযানের সাফল্যে!
রিপোর্ট : ব. মি/মা. হা
মাঠে নামার আগে নেইমারের কানে কিছু একটা বললেন কার্লো আনচেলত্তি। হয়তো বললেন, মাঠে উপভোগ করো তোমার সময়। শেষবার ব্রাজিলের হয়ে নেমেছিলেন ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর, বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে। ৯৮১ দিন পর আবার নেইমারের গায়ে হলুদ জার্সি।
স্কটল্যান্ড ম্যাচের যখন ৭৬ মিনিট, ম্যাথেউস কুনিয়া উঠে গেলেন, ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা নামলেন তার চতুর্থ বিশ্বকাপে।
নেইমারহীন ব্রাজিলকে প্রথম ম্যাচ থেকেই টানছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তিন ম্যাচে করেছেন ৪ গোল। ব্রাজিল ইতিহাসের পঞ্চম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচে গোল করলেন।
এর আগে সর্বশেষ ২০০২ বিশ্বকাপে রোনালদো এবং রিভালদো গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন।
নেইমারের এবারের ফেরাটা যেন দুই প্রজন্মের মেলবন্ধন। ভিনিসিয়ুসের জোড়া গোলে বিপর্যস্ত স্কটল্যান্ডের জন্য নেইমারের প্রবেশ ছিল নতুন আতঙ্ক। প্রথম ছোঁয়াতেই নেইমার দেখান তার চিরচেনা স্কিল। ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে বল বাড়িয়ে দেন ভিনিকে।
ম্যাচের শেষদিকে নেইমার, পাকেতা এবং ভিনি ত্রিভুজকে ঠেকাতে স্কটিশ ডিফেন্ডাররা হিমশিম খেয়েছেন।
শেষ বাঁশির পর ভিনি জড়িয়ে ধরলেন নেইমারকে। নেইমারও বুকে টেনে নিলেন ভিনিকে। হাসিমুখে দুজনের একসঙ্গে মাঠ ছাড়ার দৃশ্যটি প্রতিপক্ষের জন্য একটি বার্তা। ভিনি ছিলেন, এলেন নেইমার। ব্রাজিলের বর্তমান ও ভবিষ্যত হাত ধরাধরি করে ছুটবেন এবার হেক্সা অভিযানের সাফল্যে!
রিপোর্ট : ব. মি/মা. হা
