সঙ্কটে নাটোর সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
চিকিৎসকসহ লোকবলের অভাব আর নানা সংকটে নাটোর সদর হাসপাতালসহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ফিরে যাচ্ছেন হাসপাতালের বহির্বিভাগ থেকেই। রয়েছে দালালের দৌরাত্ম্যও।
২৫০ শয্যার নাটোর সদর হাসপাতাল। তবে রোগী ভর্তি থাকে কয়েক গুণ। জরুরি ও বহির্বিভাগের অনেক রোগীকে চিকিৎসা না পেয়েই ফিরে যেতে হয়। ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই, নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও। সামান্য রক্ত পরীক্ষা করাতেও ছুটতে হয় বেসরকারি হাসপাতালে।
জানা যায়, ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে জেলা সদরের হাসপাতালটিতে এ রকম খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়েই সেবা কার্যক্রম চলছে। সামান্য জ্বরজারি বা পেটের অসুখেও রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেন ডাক্তাররা। আর জটিল অসুখে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকুও মেলে না।
জেলার অন্য ৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র আরও ভয়াবহ। সেখানে প্রাথমিক পরামর্শটুকু দেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসকও নেই।
সংকটের কথা স্বীকার করে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান জানালেন, এতসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও রোগীদের চিকিৎসা দিতে তাদের চেষ্টার কমতি নেই।
রিপোর্ট : শ. রা/মা. হা
২৫০ শয্যার নাটোর সদর হাসপাতাল। তবে রোগী ভর্তি থাকে কয়েক গুণ। জরুরি ও বহির্বিভাগের অনেক রোগীকে চিকিৎসা না পেয়েই ফিরে যেতে হয়। ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই, নেই প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও। সামান্য রক্ত পরীক্ষা করাতেও ছুটতে হয় বেসরকারি হাসপাতালে।
জানা যায়, ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে জেলা সদরের হাসপাতালটিতে এ রকম খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়েই সেবা কার্যক্রম চলছে। সামান্য জ্বরজারি বা পেটের অসুখেও রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে দেন ডাক্তাররা। আর জটিল অসুখে প্রাথমিক চিকিৎসাটুকুও মেলে না।
জেলার অন্য ৬টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিত্র আরও ভয়াবহ। সেখানে প্রাথমিক পরামর্শটুকু দেওয়ার মতো প্রয়োজনীয় চিকিৎসকও নেই।
সংকটের কথা স্বীকার করে নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমান জানালেন, এতসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও রোগীদের চিকিৎসা দিতে তাদের চেষ্টার কমতি নেই।
রিপোর্ট : শ. রা/মা. হা
