ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলে অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে পুনর্গঠনমূলক বেশ কটি চ্যালেঞ্জ
যুক্তরাজ্যে গত এক দশকের মধ্যে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন নতুন নেতা। আর এই দৌড়ে এগিয়ে আছেন অ্যান্ডি বার্নহাম। যুক্তরাজ্যের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং দলীয় নেতৃত্বের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় এখন বার্নহামেরই স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিটের বাসিন্দা হতে হলে তাকে মোকাবেলা করতে হবে দেশটির অভ্যন্তরীন বেশ কটি চ্যালেঞ্জ।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর লেবার পার্টির অনেক আইনপ্রণেতাই অ্যান্ডি বার্নহামের পক্ষ নিয়েছেন। অথচ ওই এলাকায় সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন জনতুষ্টিবাদী ও অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউ পার্টি বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল।
বার্নহামের দাবি, লেবার পার্টির মধ্যে একমাত্র তাঁরই ভোটারদের মন জয় করে রিফর্ম ইউকে পার্টিকে পরাজিত করার দূরদর্শিতা রয়েছে। স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর দলের ভেতরে বার্নহামের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে নিজ এলাকার স্বার্থ রক্ষায় জোরালো ভূমিকা রেখে ‘কিং অব দ্য নর্থ’ উপাধি পেয়েছিলেন বার্নহাম। তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় যুক্তরাজ্যের কয়েকটি আঞ্চলিক সাফল্যের নেপথ্যে ছিলেন এই নেতা।
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলে তাঁর মূল কর্মপরিকল্পনা কী হবে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত খুব অল্প আভাস দিয়েছেন বার্নহাম। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে। তিনি মনে করেন, লন্ডনের হাতে কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর হাতে আরও বেশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া উচিত।
লিভারপুলে জন্ম নেওয়া বার্নহাম কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করেন বার্নহাম। স্নাতক শেষ করে প্রথমে গবেষক এবং পরে পার্লামেন্টে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন।
চার বছর আগের কথা। অ্যান্ডি বার্নহাম অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে লেবার পার্টির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলের মূল মঞ্চে বক্তব্য দেওয়া থেকে বারবার বঞ্চিত করা হয়েছিল। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে এটি ছিল তাঁর পদের প্রতি চরম অসম্মান।
তবে এখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকা বার্নহামকে এখন প্রমাণ করতে হবে, তিনি সত্যিই মূল মঞ্চের যোগ্য। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ ভোটারদের মন জয় করা এবং অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার বড় চ্যালেঞ্জও এখন তাঁর সামনে।
রিপোর্ট : অ. মৈ/মা. হা
ব্রিটিশ পার্লামেন্টের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়লাভের পর লেবার পার্টির অনেক আইনপ্রণেতাই অ্যান্ডি বার্নহামের পক্ষ নিয়েছেন। অথচ ওই এলাকায় সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন জনতুষ্টিবাদী ও অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউ পার্টি বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল।
বার্নহামের দাবি, লেবার পার্টির মধ্যে একমাত্র তাঁরই ভোটারদের মন জয় করে রিফর্ম ইউকে পার্টিকে পরাজিত করার দূরদর্শিতা রয়েছে। স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর দলের ভেতরে বার্নহামের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে নিজ এলাকার স্বার্থ রক্ষায় জোরালো ভূমিকা রেখে ‘কিং অব দ্য নর্থ’ উপাধি পেয়েছিলেন বার্নহাম। তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় যুক্তরাজ্যের কয়েকটি আঞ্চলিক সাফল্যের নেপথ্যে ছিলেন এই নেতা।
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলে তাঁর মূল কর্মপরিকল্পনা কী হবে, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত খুব অল্প আভাস দিয়েছেন বার্নহাম। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে। তিনি মনে করেন, লন্ডনের হাতে কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর হাতে আরও বেশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া উচিত।
লিভারপুলে জন্ম নেওয়া বার্নহাম কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করেন বার্নহাম। স্নাতক শেষ করে প্রথমে গবেষক এবং পরে পার্লামেন্টে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন।
চার বছর আগের কথা। অ্যান্ডি বার্নহাম অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে লেবার পার্টির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলের মূল মঞ্চে বক্তব্য দেওয়া থেকে বারবার বঞ্চিত করা হয়েছিল। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে এটি ছিল তাঁর পদের প্রতি চরম অসম্মান।
তবে এখন প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকা বার্নহামকে এখন প্রমাণ করতে হবে, তিনি সত্যিই মূল মঞ্চের যোগ্য। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ ভোটারদের মন জয় করা এবং অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার বড় চ্যালেঞ্জও এখন তাঁর সামনে।
রিপোর্ট : অ. মৈ/মা. হা
