রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও জমির মাপজোক নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষে জামিন বিশ্বাস (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিপক্ষের কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও দুইজন আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর আগে, রবিবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামিন বিশ্বাস মারা যান।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট গ্রামের একটি জমির মাপজোককে কেন্দ্র করে পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের বাসিন্দা মতিউর বিশ্বাসকে দড়িবাংলাট গ্রামের হাকিম মণ্ডল ও তার লোকজন লাঞ্ছিত করেন।
এ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে মতিউর বিশ্বাসের লোকজন হাকিম মণ্ডলের কাছে কৈফিয়ত চাইতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে হাকিম মণ্ডলও লাঞ্ছনার শিকার হন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে হাকিম মণ্ডলের সমর্থকরা খাল পার হয়ে ঢেঁপা গ্রামের মজিদ বিশ্বাসের বাড়িতে হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় মজিদ বিশ্বাসের লোকজন বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে জামিন বিশ্বাস গুরুতরভাবে আহত হন এবং আরও দুই থেকে তিনজন আহত হন।
গুরুতর আহত জামিন বিশ্বাসকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
পাট্টা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অতুল চন্দ্র সরকার জানান, জমির মাপজোক নিয়ে মতিউর বিশ্বাস ও হাকিম মণ্ডলের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধের জেরেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এতে মতিউর বিশ্বাসের ভাতিজা জামিন বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়ে পরে মারা যান।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, আগের পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতায় রবিবার সকালে সংঘর্ষে আহত জামিন বিশ্বাস রাতে মারা যান। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের লোকজন রবিবার রাতেই দড়িবাংলাট গ্রামে হামলা চালায়। এতে কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যসহ প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ জনের একটি দল এলাকায় অবস্থান করছে। তবে নদীপথের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলার পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এর আগে, রবিবার রাত ৮টার দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামিন বিশ্বাস মারা যান।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার পাংশা উপজেলার কসবামাজাইল ইউনিয়নের দড়িবাংলাট গ্রামের একটি জমির মাপজোককে কেন্দ্র করে পাট্টা ইউনিয়নের ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ সময় ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের বাসিন্দা মতিউর বিশ্বাসকে দড়িবাংলাট গ্রামের হাকিম মণ্ডল ও তার লোকজন লাঞ্ছিত করেন।
এ ঘটনার জের ধরে শনিবার সকালে মতিউর বিশ্বাসের লোকজন হাকিম মণ্ডলের কাছে কৈফিয়ত চাইতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে হাকিম মণ্ডলও লাঞ্ছনার শিকার হন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রবিবার সকালে হাকিম মণ্ডলের সমর্থকরা খাল পার হয়ে ঢেঁপা গ্রামের মজিদ বিশ্বাসের বাড়িতে হামলার চেষ্টা চালায়। এ সময় মজিদ বিশ্বাসের লোকজন বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে জামিন বিশ্বাস গুরুতরভাবে আহত হন এবং আরও দুই থেকে তিনজন আহত হন।
গুরুতর আহত জামিন বিশ্বাসকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার রাত ৮টার দিকে তিনি মারা যান।
পাট্টা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য অতুল চন্দ্র সরকার জানান, জমির মাপজোক নিয়ে মতিউর বিশ্বাস ও হাকিম মণ্ডলের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধের জেরেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে এবং এতে মতিউর বিশ্বাসের ভাতিজা জামিন বিশ্বাস গুরুতর আহত হয়ে পরে মারা যান।
পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, আগের পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতায় রবিবার সকালে সংঘর্ষে আহত জামিন বিশ্বাস রাতে মারা যান। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঢেঁপা মাজাইল গ্রামের লোকজন রবিবার রাতেই দড়িবাংলাট গ্রামে হামলা চালায়। এতে কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। থানা পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশের সদস্যসহ প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ জনের একটি দল এলাকায় অবস্থান করছে। তবে নদীপথের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
