ATN
শিরোনাম
  •  

এআই, জ্বালানি ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম

         
এআই, জ্বালানি ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম

এআই, জ্বালানি ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় মালয়েশিয়া: আনোয়ার ইব্রাহিম

বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তিনি বলেছেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গণ্ডি ছাড়িয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), জ্বালানি, সেমিকন্ডাক্টরসহ নতুন ও উদীয়মান খাতে দুই দেশের সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন।

সোমবার (২২ জুন) পুত্রজায়ার পারদানা পুত্রায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, আমরা সব ক্ষেত্রে একটি সমন্বিত অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চাই। এ সম্পর্ক শুধু বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং গবেষণা, নতুন বিজ্ঞান, আধুনিক প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো খাতেও বিস্তৃত হবে। কারণ ভবিষ্যতে এসব খাতই আমাদের জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনার ক্ষেত্র হয়ে উঠবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বৃহৎ বাজার ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা মালয়েশিয়ার সঙ্গে আরও গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এ প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি সংস্কৃতি, গবেষণা এবং সন্ত্রাস দমনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করতে চায় উভয় দেশ।

বাংলাদেশকে একটি সম্ভাবনাময় বৃহৎ অর্থনীতি হিসেবে উল্লেখ করে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষির বাইরে জ্বালানি, উন্নত উৎপাদন শিল্প (অ্যাডভান্সড ম্যানুফ্যাকচারিং) এবং সেমিকন্ডাক্টরের মতো নতুন খাতেও সহযোগিতা সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন।

শ্রম অভিবাসনের বিষয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, বাংলাদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ার অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাই শ্রম অভিবাসন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, ন্যায্য ও কার্যকর করতে দুই সরকার একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে, যাতে কর্মী ও তাদের পরিবারের অধিকার এবং স্বার্থ সুরক্ষিত থাকে।

তিনি জানান, বৈঠকে পেট্রোলিয়াম খাত, শিক্ষা, সংস্কৃতি, পর্যটন এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। মিয়ানমার এবং আসিয়ানের সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন প্রশ্নে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার অবস্থান অভিন্ন। সংঘাতকবলিত অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে উভয় দেশ সমর্থন করে।

আনোয়ার ইব্রাহিম আশা প্রকাশ করেন, শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও গভীর করবে এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য পারস্পরিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম সরকারি বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ সফর দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক হবে।

রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
পাঠকের মন্তব্য

সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংবাদ


অন্যান্য সংবাদ