এয়ার ফোর্স ওয়ানে যুক্ত হচ্ছে কাতারের উপহার দেওয়া বিলাসবহুল বিমান
আকাশে উড়তে যাচ্ছে নতুন ফ্লাইং হোয়াইট হাউস। কাতারের উপহার দেওয়া বিলাসবহুল বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজটিকে নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার ম্যারিল্যান্ডের জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে জমকালো আয়োজনে নিজেই উন্মোচন করেন এই আকাশযান।
কেনেডি আমলের ঐতিহ্যবাহী হালকা নীল রঙকে বিদায় জানিয়ে মার্কিন পতাকার আদলে এবার বিমানজুড়ে জায়গা করে নিয়েছে লাল, সাদা আর গাঢ় নেভি ব্লু রঙ। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত পছন্দেই করা হয়েছে নতুন এই নকশা।
বিমানের ভেতরে পা রাখলেই মনে হবে যেন ভাসমান কোনো প্রাসাদ। দামি কাঠের কাজ, চামড়ার আসন, বিলাসবহুল কার্পেট এবং ফরাসি ডিজাইনারদের সোনালি কারুকাজে সাজানো অভ্যন্তরকে ট্রাম্প নিজেই নাম দিয়েছেন-ফ্লাইং হোয়াইট হাউস।
ট্রাম্পের দাবি, আগের এয়ারফোর্স ওয়ানের চেয়ে বড় এবং দ্রুতগতির এই বিমান একটানা পাড়ি দিতে পারে দীর্ঘ পথ। অনুষ্ঠানে তিনি একে বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল বিমান আখ্যা দিয়ে বলেন, এ ধরনের আরেকটি বিমান আর কখনও হবে না।
প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই বোয়িং ৭৪৭-৮ ট্রাম্পকে উপহার দেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। তবে বিদেশি সরকারের কাছ থেকে এত বড় উপহার গ্রহণকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক।
যদিও হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের দাবি, সব ধরনের নিয়ম মেনেই গ্রহণ করা হয়েছে বিমানটি। ট্রাম্পের মতে, করদাতাদের শত শত মিলিয়ন ডলার বাঁচাতে এমন একটি উপহার ফিরিয়ে দেওয়া হতো ‘বোকামি।
যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান প্রকল্পের জন্য ভিসি-25 বি মডেলের দুটি বিমান তৈরি করছে বোয়িং। তবে উৎপাদন জটিলতা ও বিলম্বের কারণে ২০২৮ সালের আগে হাতে পাওয়া যাচ্ছে না বিমান দুটি। অন্যদিকে, বর্তমানে ব্যবহৃত প্রেসিডেন্সিয়াল বিমানগুলোর বয়সও প্রায় ৩৫ বছর।
এরইমধ্যে বিমানটির চূড়ান্ত নিরাপত্তা পরীক্ষা ও পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের ফ্লাইওভারে নেতৃত্ব দেবে এই আকাশযান। আর ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষে, ইতিহাসের অংশ হয়ে বিমানটি স্থান পাবে ভবিষ্যতের ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট লাইব্রেরিতে।
রিপোর্ট :রা. মু/মা. হা
কেনেডি আমলের ঐতিহ্যবাহী হালকা নীল রঙকে বিদায় জানিয়ে মার্কিন পতাকার আদলে এবার বিমানজুড়ে জায়গা করে নিয়েছে লাল, সাদা আর গাঢ় নেভি ব্লু রঙ। ট্রাম্পের ব্যক্তিগত পছন্দেই করা হয়েছে নতুন এই নকশা।
বিমানের ভেতরে পা রাখলেই মনে হবে যেন ভাসমান কোনো প্রাসাদ। দামি কাঠের কাজ, চামড়ার আসন, বিলাসবহুল কার্পেট এবং ফরাসি ডিজাইনারদের সোনালি কারুকাজে সাজানো অভ্যন্তরকে ট্রাম্প নিজেই নাম দিয়েছেন-ফ্লাইং হোয়াইট হাউস।
ট্রাম্পের দাবি, আগের এয়ারফোর্স ওয়ানের চেয়ে বড় এবং দ্রুতগতির এই বিমান একটানা পাড়ি দিতে পারে দীর্ঘ পথ। অনুষ্ঠানে তিনি একে বিশ্বের সবচেয়ে বিলাসবহুল বিমান আখ্যা দিয়ে বলেন, এ ধরনের আরেকটি বিমান আর কখনও হবে না।
প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের এই বোয়িং ৭৪৭-৮ ট্রাম্পকে উপহার দেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। তবে বিদেশি সরকারের কাছ থেকে এত বড় উপহার গ্রহণকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয় তুমুল বিতর্ক।
যদিও হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের দাবি, সব ধরনের নিয়ম মেনেই গ্রহণ করা হয়েছে বিমানটি। ট্রাম্পের মতে, করদাতাদের শত শত মিলিয়ন ডলার বাঁচাতে এমন একটি উপহার ফিরিয়ে দেওয়া হতো ‘বোকামি।
যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান প্রকল্পের জন্য ভিসি-25 বি মডেলের দুটি বিমান তৈরি করছে বোয়িং। তবে উৎপাদন জটিলতা ও বিলম্বের কারণে ২০২৮ সালের আগে হাতে পাওয়া যাচ্ছে না বিমান দুটি। অন্যদিকে, বর্তমানে ব্যবহৃত প্রেসিডেন্সিয়াল বিমানগুলোর বয়সও প্রায় ৩৫ বছর।
এরইমধ্যে বিমানটির চূড়ান্ত নিরাপত্তা পরীক্ষা ও পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসের ফ্লাইওভারে নেতৃত্ব দেবে এই আকাশযান। আর ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শেষে, ইতিহাসের অংশ হয়ে বিমানটি স্থান পাবে ভবিষ্যতের ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট লাইব্রেরিতে।
রিপোর্ট :রা. মু/মা. হা
