নেত্রকোনায় বিয়েবাড়ির ব্যস্ততায় পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় বিয়েবাড়ির উৎসবের ব্যস্ততার আড়ালে পুকুরে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকালে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো- পাবই গ্রামের হ্যান্ডট্রলি চালক নিজাম উদ্দিনের দুই মেয়ে নিহা আক্তার (৭) ও নোহা আক্তার (৩)। নিজাম উদ্দিনের এই দুই মেয়ে ছাড়া আর কোনো সন্তান নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার নিজাম উদ্দিনের ভাতিজির বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। বিযের অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কাজে পরিবারের সবাই ব্যস্ত ছিলেন। এ সুযোগে দুপুরে বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে যায় দুই বোন। একপর্যায়ে তারা পানিতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয়রা একটি শিশুকে ভাসতে দেখে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা ছুটে আসেন। দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এমন ঘটনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পুলিশকে অবহিত করার নিয়ম থাকলেও তারা সেটি করেননি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমেনুল ইসলাম বলেন, অপমৃত্যু বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে পুলিশ অবহিত করার জন্য একাধিকবার মিটিং করে চিকিৎসকসহ সবাইকে বলেছি। কিন্তু তারা সেই কথা আমলে নেয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, এমন ঘটনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পুলিশকে জানানো প্রয়োজন। দায়িত্বরতদের অবহেলার বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আশা করছি তিনি এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
নিহতরা হলো- পাবই গ্রামের হ্যান্ডট্রলি চালক নিজাম উদ্দিনের দুই মেয়ে নিহা আক্তার (৭) ও নোহা আক্তার (৩)। নিজাম উদ্দিনের এই দুই মেয়ে ছাড়া আর কোনো সন্তান নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার নিজাম উদ্দিনের ভাতিজির বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। বিযের অনুষ্ঠানের বিভিন্ন কাজে পরিবারের সবাই ব্যস্ত ছিলেন। এ সুযোগে দুপুরে বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে যায় দুই বোন। একপর্যায়ে তারা পানিতে তলিয়ে যায়।
স্থানীয়রা একটি শিশুকে ভাসতে দেখে চিৎকার শুরু করলে পরিবারের সদস্যরা ছুটে আসেন। দুই শিশুকে উদ্ধার করে দ্রুত মোহনগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি মো. হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এমন ঘটনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পুলিশকে অবহিত করার নিয়ম থাকলেও তারা সেটি করেননি।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোমেনুল ইসলাম বলেন, অপমৃত্যু বা অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটলে পুলিশ অবহিত করার জন্য একাধিকবার মিটিং করে চিকিৎসকসহ সবাইকে বলেছি। কিন্তু তারা সেই কথা আমলে নেয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা খাতুন বলেন, এমন ঘটনায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে পুলিশকে জানানো প্রয়োজন। দায়িত্বরতদের অবহেলার বিষয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। আশা করছি তিনি এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
