ধানমন্ডিতে ১০ তলা ভবন থেকে পড়ে শিশু গৃহকর্মীর মৃত্যু, হত্যার অভিযোগ পরিবারের
রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় একটি ১০ তলা ভবন থেকে নিচে পড়ে রিক্তা আক্তার (১১) নামে এক শিশু গৃহকর্মীর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডির ৯/এ নম্বর রোডের ৩৭ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে মানতে নারাজ শিশুটির পরিবার। রিক্তার বাবা শাহিন মিয়া দাবি করেছেন, তাঁর মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।
শাহিন মিয়া জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার সালনা থানার নিজগাঁও গ্রামে। বর্তমানে তিনি স্ত্রী মাজেদা ও তিন সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় বসবাস করেন। চার বোনের মধ্যে রিক্তা ছিল দ্বিতীয়।
তিনি বলেন, প্রায় এক মাস আগে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে এক দালালের মাধ্যমে মেয়েকে ধানমন্ডির ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজে পাঠানো হয়। এক সপ্তাহ আগে ভিডিও কলে মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় তার মুখ ফোলা দেখতে পান। তখন তিনি দালালকে মেয়েকে ফিরিয়ে আনার কথা বললে দালাল প্রথমে ১০ হাজার টাকা পরিশোধের শর্ত দেন। পরে শুক্রবার জানতে পারেন, তাঁর মেয়ে মারা গেছে।
মেয়ের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে শাহিন মিয়া বলেন, আমার মেয়ে ওপর থেকে পড়ে মারা যায়নি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর বিচার চাই।
এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটি প্রায় এক মাস ধরে ওই ভবনের দশম তলায় গৃহকর্মীর কাজ করছিল। শুক্রবার সকালে বাসার বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত ইবনে সিনা স্পেশালাইজড অ্যান্ড কার্ডিয়াক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরও জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ধানমন্ডির ৯/এ নম্বর রোডের ৩৭ নম্বর বাসায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা হিসেবে মানতে নারাজ শিশুটির পরিবার। রিক্তার বাবা শাহিন মিয়া দাবি করেছেন, তাঁর মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।
শাহিন মিয়া জানান, তাঁদের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার সালনা থানার নিজগাঁও গ্রামে। বর্তমানে তিনি স্ত্রী মাজেদা ও তিন সন্তানকে নিয়ে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় বসবাস করেন। চার বোনের মধ্যে রিক্তা ছিল দ্বিতীয়।
তিনি বলেন, প্রায় এক মাস আগে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে এক দালালের মাধ্যমে মেয়েকে ধানমন্ডির ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজে পাঠানো হয়। এক সপ্তাহ আগে ভিডিও কলে মেয়ের সঙ্গে কথা বলার সময় তার মুখ ফোলা দেখতে পান। তখন তিনি দালালকে মেয়েকে ফিরিয়ে আনার কথা বললে দালাল প্রথমে ১০ হাজার টাকা পরিশোধের শর্ত দেন। পরে শুক্রবার জানতে পারেন, তাঁর মেয়ে মারা গেছে।
মেয়ের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে শাহিন মিয়া বলেন, আমার মেয়ে ওপর থেকে পড়ে মারা যায়নি। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের কঠোর বিচার চাই।
এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটি প্রায় এক মাস ধরে ওই ভবনের দশম তলায় গৃহকর্মীর কাজ করছিল। শুক্রবার সকালে বাসার বারান্দা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত ইবনে সিনা স্পেশালাইজড অ্যান্ড কার্ডিয়াক হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওসি আরও জানান, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ণয়ের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
