লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ
সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বহুল আলোচিত ‘চুক্তি স্বাক্ষর’ অনুষ্ঠান বাতিল হওয়ার পর লেবানন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি দেখা গেছে। নতুন করে উত্তেজনা ও সংঘাতের পর অবশেষে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা, অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে লেবাননে ব্যাপক বিমান ও রকেট হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত হন। অন্যদিকে হিজবুল্লাহর হামলায় চার ইসরায়েলি সেনাও নিহত হয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, দিনের শুরুতে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটলেও পরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা, ইরানের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়, এই সমঝোতা বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন সীমান্তে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া ছিল বৃহত্তর মার্কিন-ইরান শান্তি উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল—লেবাননে কার্যকর ও সর্বাত্মক যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
যদিও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সরাসরি শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি, তিনি লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও মিত্রদের সুরক্ষায় তেহরান প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির ফলে সীমান্ত এলাকায় আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাতিল হওয়া কারিগরি বৈঠক কবে পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, যুদ্ধ অবসানসংক্রান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতাকে স্থায়ী মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তিতে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।
এর ফলে বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পরিস্থিতির অবনতির কারণে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত মার্কিন-ইরান বৈঠকটি বাতিল করা হয়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
শুক্রবার (১৯ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা, অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে বলে বিবিসিকে জানিয়েছেন একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা।
তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঠিক আগে লেবাননে ব্যাপক বিমান ও রকেট হামলা চালায় ইসরায়েল। এতে অন্তত ১৮ জন নিহত হন। অন্যদিকে হিজবুল্লাহর হামলায় চার ইসরায়েলি সেনাও নিহত হয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মার্কিন কর্মকর্তা জানান, দিনের শুরুতে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটলেও পরে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা, ইরানের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়, এই সমঝোতা বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন সীমান্তে যুদ্ধ বন্ধ হওয়া ছিল বৃহত্তর মার্কিন-ইরান শান্তি উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। হিজবুল্লাহর এক জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, তেহরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল—লেবাননে কার্যকর ও সর্বাত্মক যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।
যদিও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সরাসরি শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে কোনো মন্তব্য করেননি, তিনি লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেন। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের জাতীয় স্বার্থ ও মিত্রদের সুরক্ষায় তেহরান প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
এদিকে যুদ্ধবিরতির ফলে সীমান্ত এলাকায় আপাতত উত্তেজনা কিছুটা কমলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বাতিল হওয়া কারিগরি বৈঠক কবে পুনরায় অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, যুদ্ধ অবসানসংক্রান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সমঝোতাকে স্থায়ী মধ্যপ্রাচ্য শান্তি চুক্তিতে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে।
এর ফলে বৈশ্বিক নৌ-বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার আলোচনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পরিস্থিতির অবনতির কারণে শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত মার্কিন-ইরান বৈঠকটি বাতিল করা হয়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
