ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর পিছিয়ে গেল, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সরাসরি আলোচনা স্থগিত
মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নির্ধারিত সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফার সরাসরি আলোচনা আপাতত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হোয়াইট হাউস জানায়, আলোচনায় অংশ নিতে ভ্যান্স সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতি কোনো পক্ষের জন্যই কাম্য ছিল না।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে একটি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করে। ওই চুক্তিতে লেবাননে চলমান যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলায় দক্ষিণ লেবাননে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর অবস্থান। একই সময়ে সংঘর্ষে ইসরায়েলের চার সেনাও নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণেই নির্ধারিত আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই তারা এ মন্তব্য করে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে স্বাক্ষরিত চুক্তির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার পরিকল্পনা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র যত দ্রুত সম্ভব কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী বলেও জানানো হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক মাউন্টেন রিসোর্টে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে আলোচনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে, যদিও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা শুরু করা। ১৪ দফার ওই চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, পুনর্গঠনের জন্য তহবিল গঠন এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। তার অভিযোগ, ট্রাম্প সব ধরনের চাপ প্রয়োগ করে এই সমঝোতা বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছেন।
খামেনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তবে আলোচনা মানেই প্রতিপক্ষের অবস্থান মেনে নেওয়া নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চুক্তির আওতায় ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাতসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে যুদ্ধের অন্যতম ভয়াবহ হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে আইডিএফ জানিয়েছে, হামলায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হোয়াইট হাউস জানায়, আলোচনায় অংশ নিতে ভ্যান্স সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ধরনের পরিস্থিতি কোনো পক্ষের জন্যই কাম্য ছিল না।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যে সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে একটি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করে। ওই চুক্তিতে লেবাননে চলমান যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাতভর ইসরায়েলি বিমান হামলায় দক্ষিণ লেবাননে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, হামলার লক্ষ্য ছিল হিজবুল্লাহর অবস্থান। একই সময়ে সংঘর্ষে ইসরায়েলের চার সেনাও নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।
হিজবুল্লাহ-ঘনিষ্ঠ একটি সংবাদমাধ্যমের দাবি, ইসরায়েলের বিমান হামলার কারণেই নির্ধারিত আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগেই তারা এ মন্তব্য করে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে স্বাক্ষরিত চুক্তির পরবর্তী ধাপ বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা করতে সুইজারল্যান্ডে বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আলোচনার পরিকল্পনা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র যত দ্রুত সম্ভব কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা শুরু করতে আগ্রহী বলেও জানানো হয়েছে।
সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক মাউন্টেন রিসোর্টে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে আলোচনা আপাতত স্থগিত করা হয়েছে, যদিও প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার মূল উদ্দেশ্য ছিল সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা শুরু করা। ১৪ দফার ওই চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, পুনর্গঠনের জন্য তহবিল গঠন এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। তার অভিযোগ, ট্রাম্প সব ধরনের চাপ প্রয়োগ করে এই সমঝোতা বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছেন।
খামেনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তবে আলোচনা মানেই প্রতিপক্ষের অবস্থান মেনে নেওয়া নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, চুক্তির আওতায় ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাতসহ সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু চুক্তির পরও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে যুদ্ধের অন্যতম ভয়াবহ হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে। অন্যদিকে আইডিএফ জানিয়েছে, হামলায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
