দৃশ্যপট ১ : থোয়াইচিং চাকমা একজন পাহাড়ি আদিবাসী ।এরা বছরের পর বছর বাঙ্গালি দ্বারা শোষিত। পাহাড়িরা খুব সরলমনা এবং ভীত হয়ে থাকেন । তাই এদেরকে আপনি খুব সহজেই মানিপুলেট করতে পারেন । হয়ত আমাদের দেশের মৌলবাদিরা কিংবা সংখ্যাগুরুদের একটি কুচক্রী মহল, সরলতার সুযোগ নিয়েই বা টাকা পয়সার লোভ দেখিয়ে থোয়াইচিং চাকমা দ্বারা সম্প্রতিসময়ে হিন্দুদের বিরুদ্ধে উস্কানিমুলক বা তারদের বিরুদ্ধে মানুষের আক্ররমনাত্তক ভাব ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে।যাতে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করে হিন্দুদের কোণঠাসা করা যায়।যেভাবে করা হয়েছে সর্ব মিত্র চাকমার সাথে,যদিও সে হিন্দু বিরোধী কিছু করেনি । যেখানে পাহাড়ি আদিবাসী নিজেরাই চায় পাহাড়কে শোষণকারী বাঙ্গালিদের থেকে আলাদা করতে এবং ভারতের সাথে যুক্ত করতে , সেখানে থোয়াইচিং চাকমার মত মানুষরা ভারত বিরোধী তথা হিন্দু বিরোধী কথা বলছে । এটি একটি সুপরিকল্পিত এবং scripted চক্রান্ত যার পেছনে মৌলবাদীর মত দুষ্কৃতিরা মদদ এবং নিরাপত্তা দিয়েছে পিছনে থেকে । কারণ একজন পাগলও চাইবে না কখনো নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারতে ।
দৃশ্যপট 2 : বাংলাদেশ জন্মলংগ্ন থেকেই মৌলবাদীরা ধর্মকে ব্যবহার করে ব্যবসা ,সোশাল মিডিয়া উস্কানি, হুজুরদের মিথ্যা বক্তব্য এবং সাধারণ অল্প শিক্ষিত মুসলিমদের ম্যনিপুলেট করে নানা সময়ে লুটপাট , মব সৃষ্টি করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে এসেছিল । এর বহমান ধারা আধুনিক হুজুরদের মধ্যে প্রকাশ্য । এখন যে কেউই বুঝে গেছে যে অল্প শিক্ষিত মাথা মোটা মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে কথা বললে ভাইরাল হওয়া যায় । সোশাল মিডিয়া প্লাটফরম গুলতে ঝড় তুলে টাকা ইনকাম করাও যায় । হয়ত একজন ভিন্ন ধর্মী থোয়াইচিং চাকমার মত আদিবাসীও বুঝে গিয়েছে কিভাবে মুসলিমদের ফোবিয়া ব্যবহার করে সামনে এগিয়ে যাবেন এবং জনপ্রিয় হবেন।যেখানে হাজার হাজার আদিবাসী তরুণী বাঙ্গালি মুসলিমদের টার্গেট হয়ে নিজের ইজ্জত বিসর্জন দিয়ে প্রাণ ত্যাগ করেছে, পাহারে লুটপাট হয়েছে ,সেখানে এইসব বলার মানে অন্যকিছু বোঝায় ।কারণ মুসলিমদের পক্ষে কথা বললে আপনি দেশপ্রেমী , ভাল মানুষ, ভারতবিরোধি। আর মুসলিমদের পক্ষে কোনো কথা না বললে আপনি দেশদ্রোহী , ভারতের দালাল , র এর দালাল । এবং এটি সবসময় হিন্দুদের টার্গেট করেই বলা হয় । যার কারণে থোয়াইচিং চাকমা সাময়িক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল । গাযায় মৃত্যুর সংবাদ শুনে মুসলিমদের হৃদয়ে আঘাত হয় কারণ তারা ভাই , সুদু তাই নয় সমগ্র বিশ্বের মুসলিম মুসলিম ভাই । তাহলে একজন হিন্দুর জন্য অন্য হিন্দুর টান থাকা কি অপরাধ? এর জন্য কি তাদের কে দেশদ্রোহী , দালাল এগুলো বলতে হবে । তাদের কে হেনস্থা করে কোণঠাসা , দমন পীড়ন করতে হবে ? যেখানে একজন মুসলিম ভিন দেশি কোন মুসলিম এর জন্য কান্না করে , সেখানে হিন্দুদের নিয়ে এরূপ মন্তব্য মুসলিমদের মানায় না বরং তারা যে আসলে স্বৈরাচারী এটা প্রমাণ হয়ে যায় । এ ভূমি হিন্দুদের এটা ইতিহাস সাক্ষী । না হয় পদ্মা , মেঘনা, যমুনা, গঙ্গা এইসব নদীর নাম না হয়ে আমেন, ফাতেমা হত । লক্ষ লক্ষ জায়গার নাম রামগড় , শিবচর , রামপুর , রামনগর , ঢাকেশ্বরী এগুলো না হয়ে মুসলিম অধ্যুষিত নাম হত ।
দৃশ্যপট 2 : বাংলাদেশ জন্মলংগ্ন থেকেই মৌলবাদীরা ধর্মকে ব্যবহার করে ব্যবসা ,সোশাল মিডিয়া উস্কানি, হুজুরদের মিথ্যা বক্তব্য এবং সাধারণ অল্প শিক্ষিত মুসলিমদের ম্যনিপুলেট করে নানা সময়ে লুটপাট , মব সৃষ্টি করে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে এসেছিল । এর বহমান ধারা আধুনিক হুজুরদের মধ্যে প্রকাশ্য । এখন যে কেউই বুঝে গেছে যে অল্প শিক্ষিত মাথা মোটা মুসলিমদের পক্ষ নিয়ে কথা বললে ভাইরাল হওয়া যায় । সোশাল মিডিয়া প্লাটফরম গুলতে ঝড় তুলে টাকা ইনকাম করাও যায় । হয়ত একজন ভিন্ন ধর্মী থোয়াইচিং চাকমার মত আদিবাসীও বুঝে গিয়েছে কিভাবে মুসলিমদের ফোবিয়া ব্যবহার করে সামনে এগিয়ে যাবেন এবং জনপ্রিয় হবেন।যেখানে হাজার হাজার আদিবাসী তরুণী বাঙ্গালি মুসলিমদের টার্গেট হয়ে নিজের ইজ্জত বিসর্জন দিয়ে প্রাণ ত্যাগ করেছে, পাহারে লুটপাট হয়েছে ,সেখানে এইসব বলার মানে অন্যকিছু বোঝায় ।কারণ মুসলিমদের পক্ষে কথা বললে আপনি দেশপ্রেমী , ভাল মানুষ, ভারতবিরোধি। আর মুসলিমদের পক্ষে কোনো কথা না বললে আপনি দেশদ্রোহী , ভারতের দালাল , র এর দালাল । এবং এটি সবসময় হিন্দুদের টার্গেট করেই বলা হয় । যার কারণে থোয়াইচিং চাকমা সাময়িক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল । গাযায় মৃত্যুর সংবাদ শুনে মুসলিমদের হৃদয়ে আঘাত হয় কারণ তারা ভাই , সুদু তাই নয় সমগ্র বিশ্বের মুসলিম মুসলিম ভাই । তাহলে একজন হিন্দুর জন্য অন্য হিন্দুর টান থাকা কি অপরাধ? এর জন্য কি তাদের কে দেশদ্রোহী , দালাল এগুলো বলতে হবে । তাদের কে হেনস্থা করে কোণঠাসা , দমন পীড়ন করতে হবে ? যেখানে একজন মুসলিম ভিন দেশি কোন মুসলিম এর জন্য কান্না করে , সেখানে হিন্দুদের নিয়ে এরূপ মন্তব্য মুসলিমদের মানায় না বরং তারা যে আসলে স্বৈরাচারী এটা প্রমাণ হয়ে যায় । এ ভূমি হিন্দুদের এটা ইতিহাস সাক্ষী । না হয় পদ্মা , মেঘনা, যমুনা, গঙ্গা এইসব নদীর নাম না হয়ে আমেন, ফাতেমা হত । লক্ষ লক্ষ জায়গার নাম রামগড় , শিবচর , রামপুর , রামনগর , ঢাকেশ্বরী এগুলো না হয়ে মুসলিম অধ্যুষিত নাম হত ।
