আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে মেসি আর্জেন্টিনাকে জেতানোর পর ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও তার পর্তুগালকে নিয়ে আগ্রহ ছিল সবার। কিন্তু রোনালদোর নিষ্প্রভ পারফরম্যান্সের রাতে ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গো রুখে দিয়েছে পর্তুগালকে। ম্যাচটি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে।
প্রায় ৬৮ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে মুখর হিউস্টন স্টেডিয়াম। বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট রোনালদোর পর্তুগালের উদ্বোধনী ম্যাচ বলে কথা। জোয়াও নেভেসের গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল।
এই গোলের উচ্ছ্বাস থামতে না থামতেই ডিআর কঙ্গোর মধ্যে দেখা গেল মরিয়া ভাব। কোনো অবস্থাতেই তারা হার মানতে চায় না। ফিফা র্যাংকিংয়ের ছয়ে থাকা পর্তুগালের চেয়ে ৪৩ ধাপ পিছিয়ে থাকা আফ্রিকান দল। রক্ষণকে রীতিমতো দুর্গ বানিয়ে প্রতিআক্রমণে উঠতে থাকে তারা।
ফলও আসে হাতে-নাতে। মাসুয়াকুর ক্রসে ইওয়ান উইসার দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে কঙ্গো। এটি প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েরও শেষ মিনিটের ঘটনা।
বিরতির পরও পর্তুগাল ফেরেনি পর্তুগালে। তাদের মধ্যে কেমন আত্মতুষ্টি কিংবা ক্লান্তি। শ্লথগতির পর্তুগিজদের বিপক্ষে দারুণভাবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে কঙ্গো।
৫৫ মিনিট জোয়াও ক্যানসেলো বাইসাইকেল কিকে বল জালে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু বাজে রেফারির অফ-সাইডের বাঁশি।
তবে কঙ্গোর দুর্ভাগ্য, ৫৭ মিনিটেই সেড্রিক বুকাম্বোর শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়।
পর্তুগালের কোচ রবার্তো ফার্নান্দেজের সমস্ত আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা ছিল রোনালদো-কেন্দ্রিক। কিন্তু সিআর৭ কেমন স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে রইলেন ডি-বক্সে। একেবারেই ম্লান। গোটা ম্যাচে একটি মাত্র শট নিতে পারেন তিনি ৬৮ মিনিটে, সেটিও চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে।
রোনালদোকে উঠিয়ে নেয়ার সাহস না থাকলেও ফার্নোন্দেজ ৭০ মিনিটের দিকে চারটি বদল আনেন দলে। তবে পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লিয়াও, নুনো মেন্দেজরাও গোল আদায় করতে ব্যর্থ।
শেষ পর্যন্ত তাই ম্যাচ ড্র করেই ফিরতে হয় তাদের। আউফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৪১ বছর ১৩২ দিন বয়সে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে নেমে রোনালদো ফিরলেন মলিনমুখে।
এই পর্তুগালের গায়ে ফেবারিটের আলো নেই। ফেবারিট তকমা ধরে রাখতে হলে পরের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে তাদের।
রিপোর্ট :প. কু/মা. হা
প্রায় ৬৮ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে মুখর হিউস্টন স্টেডিয়াম। বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট রোনালদোর পর্তুগালের উদ্বোধনী ম্যাচ বলে কথা। জোয়াও নেভেসের গোলে এগিয়ে গেল পর্তুগাল।
এই গোলের উচ্ছ্বাস থামতে না থামতেই ডিআর কঙ্গোর মধ্যে দেখা গেল মরিয়া ভাব। কোনো অবস্থাতেই তারা হার মানতে চায় না। ফিফা র্যাংকিংয়ের ছয়ে থাকা পর্তুগালের চেয়ে ৪৩ ধাপ পিছিয়ে থাকা আফ্রিকান দল। রক্ষণকে রীতিমতো দুর্গ বানিয়ে প্রতিআক্রমণে উঠতে থাকে তারা।
ফলও আসে হাতে-নাতে। মাসুয়াকুর ক্রসে ইওয়ান উইসার দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে কঙ্গো। এটি প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েরও শেষ মিনিটের ঘটনা।
বিরতির পরও পর্তুগাল ফেরেনি পর্তুগালে। তাদের মধ্যে কেমন আত্মতুষ্টি কিংবা ক্লান্তি। শ্লথগতির পর্তুগিজদের বিপক্ষে দারুণভাবে ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে কঙ্গো।
৫৫ মিনিট জোয়াও ক্যানসেলো বাইসাইকেল কিকে বল জালে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু বাজে রেফারির অফ-সাইডের বাঁশি।
তবে কঙ্গোর দুর্ভাগ্য, ৫৭ মিনিটেই সেড্রিক বুকাম্বোর শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়।
পর্তুগালের কোচ রবার্তো ফার্নান্দেজের সমস্ত আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা ছিল রোনালদো-কেন্দ্রিক। কিন্তু সিআর৭ কেমন স্থানুর মতো দাঁড়িয়ে রইলেন ডি-বক্সে। একেবারেই ম্লান। গোটা ম্যাচে একটি মাত্র শট নিতে পারেন তিনি ৬৮ মিনিটে, সেটিও চলে যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে।
রোনালদোকে উঠিয়ে নেয়ার সাহস না থাকলেও ফার্নোন্দেজ ৭০ মিনিটের দিকে চারটি বদল আনেন দলে। তবে পেদ্রো নেতো, রাফায়েল লিয়াও, নুনো মেন্দেজরাও গোল আদায় করতে ব্যর্থ।
শেষ পর্যন্ত তাই ম্যাচ ড্র করেই ফিরতে হয় তাদের। আউফিল্ড খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৪১ বছর ১৩২ দিন বয়সে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলতে নেমে রোনালদো ফিরলেন মলিনমুখে।
এই পর্তুগালের গায়ে ফেবারিটের আলো নেই। ফেবারিট তকমা ধরে রাখতে হলে পরের ম্যাচগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতেই হবে তাদের।
রিপোর্ট :প. কু/মা. হা
