ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শেষ করতে সমঝোতা স্মারকে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। উভয় পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানানো হয়েছে যে এরই মধ্যে চুক্তিটি কার্যকর হয়েছে।
তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের জন্য স্থায়ী চুক্তিতে যেতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ভার্সাই প্রাসাদে এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জোট জি–সেভেন–এর শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে ট্রাম্প ফ্রান্স সফরে রয়েছেন। তবে, এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
তেহরানও সমঝোতা স্মারকে সই করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এতে সই করেছেন।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, সমঝোতা স্মারকটি ইলেকট্রনিকভাবে সই হয়েছে। অর্থাৎ দুই দেশের প্রেসিডেন্ট দূরবর্তী দুটি অবস্থানে থেকে এতে সই করেছেন। তিনি বলেন যে, চুক্তিটি ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে বলেন, এটা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিকতার পরিকল্পনা নেই ইরানের।
এর আগে, সুইজারল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির লুসার্ন হ্রদের পাহাড়ি এলাকায় একটি বিলাসবহুল হোটেলে চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠান হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ উপস্থিত থাকবেন। তবে এক দিন আগেই এতে সই করার কথা জানাল দুই দেশ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এ সমঝোতা স্মারকের মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক্সে পোস্ট দিয়ে বলেন, এখন এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে বুধবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে করা সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফার নথি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
সমঝোতা স্মারকে সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের অবসান এবংহরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর থেকে নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথাও বলা হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে আলোচনার সময় ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়টি নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয়েছে এতে। এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে। তবে সমঝোতা স্মারকে ইসরায়েলের যুদ্ধ লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় দেশটিতে ক্ষোভ বিরজ করছে।
রিপোর্ট :আ. সা/মা. হা
তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধ বন্ধের জন্য স্থায়ী চুক্তিতে যেতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ভার্সাই প্রাসাদে এ সমঝোতা স্মারকে সই করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর জোট জি–সেভেন–এর শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে ট্রাম্প ফ্রান্স সফরে রয়েছেন। তবে, এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
তেহরানও সমঝোতা স্মারকে সই করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এতে সই করেছেন।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, সমঝোতা স্মারকটি ইলেকট্রনিকভাবে সই হয়েছে। অর্থাৎ দুই দেশের প্রেসিডেন্ট দূরবর্তী দুটি অবস্থানে থেকে এতে সই করেছেন। তিনি বলেন যে, চুক্তিটি ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে। একই সঙ্গে বলেন, এটা নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিকতার পরিকল্পনা নেই ইরানের।
এর আগে, সুইজারল্যান্ড সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, স্থানীয় সময় শুক্রবার দেশটির লুসার্ন হ্রদের পাহাড়ি এলাকায় একটি বিলাসবহুল হোটেলে চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠান হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ উপস্থিত থাকবেন। তবে এক দিন আগেই এতে সই করার কথা জানাল দুই দেশ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার এ সমঝোতা স্মারকের মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক্সে পোস্ট দিয়ে বলেন, এখন এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর আগে বুধবার মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে করা সমঝোতা স্মারকের ১৪ দফার নথি প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র।
সমঝোতা স্মারকে সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের অবসান এবংহরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর থেকে নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথাও বলা হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে আলোচনার সময় ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়টি নিয়ে কাজ করার প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয়েছে এতে। এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে। তবে সমঝোতা স্মারকে ইসরায়েলের যুদ্ধ লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় দেশটিতে ক্ষোভ বিরজ করছে।
রিপোর্ট :আ. সা/মা. হা
