বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য খাতে জনবলের সংকট নিরসনে সরকার কাজ করছে। এ লক্ষ্যে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে আরও ৫ হাজার চিকিৎসক নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
আজ বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে সম্প্রতি ১৪ জন চিকিৎসক পদায়ন করা হলেও ছয়জন এখনো যোগদান করেননি। এছাড়া দুজন কনসালট্যান্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও জনবল দেওয়া হবে।
ডেপুটেশন ব্যবস্থার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলমান ডেপুটেশন ধীরে ধীরে বাতিল করা হচ্ছে। রাজবাড়ীতেও এক নারী চিকিৎসক দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা একই পরিবারের সদস্য। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবনের বিভিন্ন অবকাঠামোগত বিষয় পর্যালোচনা করেন। প্রয়োজনীয় আসবাব, চিকিৎসা সরঞ্জাম, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, ড্রেনেজ উন্নয়ন এবং মরদেহ সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাকি কাজ সম্পন্ন হলে শিগগির নতুন ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধন করা হবে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সহজলভ্য করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, টয়লেট, রান্নাঘর ও নতুন ভবন ঘুরে দেখেন। রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন এবং হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন ও দালালমুক্ত রাখার নির্দেশনা দেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
আজ বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে সম্প্রতি ১৪ জন চিকিৎসক পদায়ন করা হলেও ছয়জন এখনো যোগদান করেননি। এছাড়া দুজন কনসালট্যান্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও জনবল দেওয়া হবে।
ডেপুটেশন ব্যবস্থার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলমান ডেপুটেশন ধীরে ধীরে বাতিল করা হচ্ছে। রাজবাড়ীতেও এক নারী চিকিৎসক দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে এক সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা একই পরিবারের সদস্য। সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হবে। কোনো মানুষ যেন চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত না হয়, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবনের বিভিন্ন অবকাঠামোগত বিষয় পর্যালোচনা করেন। প্রয়োজনীয় আসবাব, চিকিৎসা সরঞ্জাম, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, ড্রেনেজ উন্নয়ন এবং মরদেহ সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজার স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাকি কাজ সম্পন্ন হলে শিগগির নতুন ২৫০ শয্যার হাসপাতাল ভবনের উদ্বোধন করা হবে।
এছাড়া দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সহজলভ্য করতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, টয়লেট, রান্নাঘর ও নতুন ভবন ঘুরে দেখেন। রোগীদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসাসেবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। পরে চিকিৎসক ও কর্মচারীদের উপস্থিতি যাচাই করেন এবং হাসপাতালকে পরিচ্ছন্ন ও দালালমুক্ত রাখার নির্দেশনা দেন।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
