ইরান অশোভন আচরণ করলে আবার বোমাবর্ষণ শুরু হবে : ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিটি পছন্দ না হলে আবারও বোমা বর্ষণ শুরুর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আচরণে পরিবর্তন না এলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সুইজারল্যান্ডে বহুল আলোচিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্বাক্ষরের নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে ফ্রান্সে জি-সেভেন সম্মেলনের শেষ দিন এক ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে সই হতে যাওয়া চুক্তিটিই চূড়ান্ত নয়। এটি কার্যকর না হলে, কিংবা ইরানের আচরণ ঠিক না হলে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা শুরু করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হতে যাওয়া চুক্তিটি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, চুক্তিটিতে ইরানের ওপর থেকে তেল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন নথি কোনো চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি নয়। এটি মূলত ভবিষ্যৎ সমঝোতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। পরবর্তী আলোচনায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বলেও জানান তিনি।
মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির উপস্থিতিতে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আচরণ না করে, তাহলে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধা করবে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক দশক ধরে ইরান আন্তর্জাতিক পরিসরে দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছে। এ সময় ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিচালিত বিমান হামলার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। পরে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার হওয়ায় পরিস্থিতি শান্ত করার প্রচেষ্টা শুরু হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
সুইজারল্যান্ডে বহুল আলোচিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্বাক্ষরের নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগে ফ্রান্সে জি-সেভেন সম্মেলনের শেষ দিন এক ভাষণে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে আনুষ্ঠানিকভাবে সই হতে যাওয়া চুক্তিটিই চূড়ান্ত নয়। এটি কার্যকর না হলে, কিংবা ইরানের আচরণ ঠিক না হলে, যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা শুরু করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হতে যাওয়া চুক্তিটি এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে বিভিন্ন সূত্র বলছে, চুক্তিটিতে ইরানের ওপর থেকে তেল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, আসন্ন নথি কোনো চূড়ান্ত শান্তি চুক্তি নয়। এটি মূলত ভবিষ্যৎ সমঝোতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। পরবর্তী আলোচনায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না হলে যুক্তরাষ্ট্র বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বলেও জানান তিনি।
মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির উপস্থিতিতে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আচরণ না করে, তাহলে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিধা করবে না।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক দশক ধরে ইরান আন্তর্জাতিক পরিসরে দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শনে ব্যর্থ হয়েছে। এ সময় ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে পরিচালিত বিমান হামলার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পায়। পরে কূটনৈতিক উদ্যোগ জোরদার হওয়ায় পরিস্থিতি শান্ত করার প্রচেষ্টা শুরু হয়।
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/মা. হা
