কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামের প্রতিটা দর্শক যেন জানতেন, লিওনেল মেসির খেলা সবাই শেষবারের মতো প্রাণভরে উপভোগ করছে। চোখের পলক ফেলতেও যেন তাদের ভয় লাগে। চোখের পলক না ফেলাটাই তো স্বাভাবিক। এত বছর পরও মেসি এখনও সেই একই মুগ্ধতা ছড়াতে জানেন। যে মুগ্ধতায় প্রথম বুদ হয়েছিল পুরো বিশ্ব অনেক বছর আগে।
মেসিকে নিয়ে সবাই যেমন মুগ্ধ, তেমনি তার কোচ লিওনেল স্কালোনিও মুগ্ধ। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের বড় জয়ে ম্যাচে লিওনেল মেসির চোখধাঁধানো হ্যাটট্রিকের পর পুরো ফুটবল বিশ্ব মজেছে মেসি-বন্দনায়। বাদ যাননি লিওনেল স্কালোনিও। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে অকপটে স্বীকার করেছেন, লিওনেল মেসির পারফরম্যান্স ব্যাখ্যা করার মতো কোনো শব্দ তার জানা নেই।
মেসিকে নিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘লিওকে নিয়ে বলার মতো কোনো শব্দ আর অবশিষ্ট নেই। আমি নতুন করে আর কী বলব? সে স্রেফ অবিশ্বাস্য! গত ২০ বছর ধরে সে প্রতিনিয়ত এই একই কাজ করে যাচ্ছে। ফুটবল দুনিয়ার প্রতিটি মানুষ তাকে মাঠে দেখতে চায় এবং তাঁর খেলা উপভোগ করে।’
মেসির লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করে স্কালোনি আরও যোগ করেন, ‘মাঠে সে একটা বলের আশাও ছেড়ে দেয় না। আর এটাই আমাদের দলের মূল ধরন। অধিনায়কের কাছ থেকে এই লড়াকু মানসিকতাটাই আজ আমরা পুরো দল মিলে মাঠে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি।’
ম্যাচে দাপুটে জয় আসলেও মাঠের লড়াইটা মোটেও সহজ ছিল না বলে মনে করেন আর্জেন্টাইন কোচ। আলজেরিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই জানতাম আমাদের ভুগতে হবে। আলজেরিয়া যথেষ্ট ভালো একটি দল এবং তারা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা দিয়েছি, তবে ম্যাচটি সত্যিই খুব কঠিন ছিল।’
বয়সকে স্রেফ একটা সংখ্যা বানিয়ে লিওনেল মেসি এখনো ফুটবল মাঠকে করে রাখছেন মায়াময়। কানসাস সিটির গ্যালারিতে আজ যারা উপস্থিত ছিলেন, তারা হয়তো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দর এক বিদায়ী অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে রইলেন। কারণ ভক্ত থেকে শুরু করে কোচ স্কালোনি—সবার মনেই এখন একটাই চাওয়া; জাদুকরের এই শেষলগ্নের প্রতিটি মুহূর্ত যেন ফুরিয়েও না ফুরায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
মেসিকে নিয়ে সবাই যেমন মুগ্ধ, তেমনি তার কোচ লিওনেল স্কালোনিও মুগ্ধ। আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের বড় জয়ে ম্যাচে লিওনেল মেসির চোখধাঁধানো হ্যাটট্রিকের পর পুরো ফুটবল বিশ্ব মজেছে মেসি-বন্দনায়। বাদ যাননি লিওনেল স্কালোনিও। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে অকপটে স্বীকার করেছেন, লিওনেল মেসির পারফরম্যান্স ব্যাখ্যা করার মতো কোনো শব্দ তার জানা নেই।
মেসিকে নিয়ে স্কালোনি বলেন, ‘লিওকে নিয়ে বলার মতো কোনো শব্দ আর অবশিষ্ট নেই। আমি নতুন করে আর কী বলব? সে স্রেফ অবিশ্বাস্য! গত ২০ বছর ধরে সে প্রতিনিয়ত এই একই কাজ করে যাচ্ছে। ফুটবল দুনিয়ার প্রতিটি মানুষ তাকে মাঠে দেখতে চায় এবং তাঁর খেলা উপভোগ করে।’
মেসির লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করে স্কালোনি আরও যোগ করেন, ‘মাঠে সে একটা বলের আশাও ছেড়ে দেয় না। আর এটাই আমাদের দলের মূল ধরন। অধিনায়কের কাছ থেকে এই লড়াকু মানসিকতাটাই আজ আমরা পুরো দল মিলে মাঠে ফুটিয়ে তুলতে পেরেছি।’
ম্যাচে দাপুটে জয় আসলেও মাঠের লড়াইটা মোটেও সহজ ছিল না বলে মনে করেন আর্জেন্টাইন কোচ। আলজেরিয়ার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই জানতাম আমাদের ভুগতে হবে। আলজেরিয়া যথেষ্ট ভালো একটি দল এবং তারা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেছে। আমরা মাঠে আমাদের সেরাটা দিয়েছি, তবে ম্যাচটি সত্যিই খুব কঠিন ছিল।’
বয়সকে স্রেফ একটা সংখ্যা বানিয়ে লিওনেল মেসি এখনো ফুটবল মাঠকে করে রাখছেন মায়াময়। কানসাস সিটির গ্যালারিতে আজ যারা উপস্থিত ছিলেন, তারা হয়তো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে সুন্দর এক বিদায়ী অধ্যায়ের সাক্ষী হয়ে রইলেন। কারণ ভক্ত থেকে শুরু করে কোচ স্কালোনি—সবার মনেই এখন একটাই চাওয়া; জাদুকরের এই শেষলগ্নের প্রতিটি মুহূর্ত যেন ফুরিয়েও না ফুরায়।
রিপোর্ট: এটিএন নিউজ / মা.ই.স
