আর্থিক সংকটে জর্জরিত আর্জেন্টিনাকে ২০০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ঋণদাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক। ‘গ্যারান্টি-ব্যাকড ফিন্যান্সিং’ নামের একটি বিশেষ পরিকল্পনা বা প্যাকেজের আওতায় দেওয়া হচ্ছে এই ঋণ।
ঋণগ্রহীতা যদি নির্ধারিত সময়ে কিস্তির অর্থ কোনো কারণে জমা দিতে না পারে, সেক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ওই গ্রহীতার হয়ে কিস্তির অর্থ প্রদান করবে— এমন ব্যবস্থাকে গ্যারান্টি-ব্যাংকড ফিন্যান্সিং বলা হয়।
মঙ্গলবার আর্জেন্টিনার সরকারকে এ ঋণের অর্থ ছাড়ের অনুমতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দু’টি প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি বা নিশ্চতয়তার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে এ ঋণ। প্রতিষ্ঠান দু’টি হলো ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং মাল্টিলিটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সি।
বিশ্বব্যাংকের এই বাণিজ্যিক ঋণের মেয়াদ ৬ বছর; সেই সঙ্গে গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে আরও ৩ বছর। অর্থাৎ, ৬ বছরের মধ্যে সময়সীমার মধ্যে যদি আর্জেন্টিনার সরকার ঋণ শোধ করতে পারে, তাহলে ভালো; আর যদি না পারে— তাহলে আরও ৩ বছর সময় পাবে দেশটির সরকার।
প্রসঙ্গত, ডলারের মজুত তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় করোনা মহামারির পর থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে আর্জেন্টিনায়। ২০২৪ সালে দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মূল্যস্ফীতির হার ছুঁয়েছে ১০০-র কোঠা। ফলে খাদ্য-ওষুধ-জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের লাগামহীন আকাশছোঁয়া মূল্যে নাভিশ্বাস উঠছে দেশটির সাধারণ জনগণের।
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মিলেই এই ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিকে বেশ কিছু সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, কিন্তু এখনও দেশটির অর্থনীতি পুরোপুরি গতিশীল হয়নি।
সূত্র : রয়টার্স
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
ঋণগ্রহীতা যদি নির্ধারিত সময়ে কিস্তির অর্থ কোনো কারণে জমা দিতে না পারে, সেক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান ওই গ্রহীতার হয়ে কিস্তির অর্থ প্রদান করবে— এমন ব্যবস্থাকে গ্যারান্টি-ব্যাংকড ফিন্যান্সিং বলা হয়।
মঙ্গলবার আর্জেন্টিনার সরকারকে এ ঋণের অর্থ ছাড়ের অনুমতি দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। দু’টি প্রতিষ্ঠানের গ্যারান্টি বা নিশ্চতয়তার ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে এ ঋণ। প্রতিষ্ঠান দু’টি হলো ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর রিকনস্ট্রাকশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং মাল্টিলিটারাল ইনভেস্টমেন্ট গ্যারান্টি এজেন্সি।
বিশ্বব্যাংকের এই বাণিজ্যিক ঋণের মেয়াদ ৬ বছর; সেই সঙ্গে গ্রেস পিরিয়ড বা অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে আরও ৩ বছর। অর্থাৎ, ৬ বছরের মধ্যে সময়সীমার মধ্যে যদি আর্জেন্টিনার সরকার ঋণ শোধ করতে পারে, তাহলে ভালো; আর যদি না পারে— তাহলে আরও ৩ বছর সময় পাবে দেশটির সরকার।
প্রসঙ্গত, ডলারের মজুত তলানিতে ঠেকে যাওয়ায় করোনা মহামারির পর থেকে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে আর্জেন্টিনায়। ২০২৪ সালে দেশটির ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মূল্যস্ফীতির হার ছুঁয়েছে ১০০-র কোঠা। ফলে খাদ্য-ওষুধ-জ্বালানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন পণ্যের লাগামহীন আকাশছোঁয়া মূল্যে নাভিশ্বাস উঠছে দেশটির সাধারণ জনগণের।
আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মিলেই এই ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ সামাল দিকে বেশ কিছু সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন, কিন্তু এখনও দেশটির অর্থনীতি পুরোপুরি গতিশীল হয়নি।
সূত্র : রয়টার্স
রিপোর্ট : এটিএন নিউজ/সা.সি
